স্টেগান বাঁচাল বার্সাকে

আগের দিন রিয়াল মাদ্রিদ অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে উড়িয়ে দিয়ে উঠে এসেছিল পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে। তবে শীর্ষে থাকা বার্সালোনার সাথে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান ছিল আট। বিশাল এই গ্যাপ যখন দুই দলের মধ্যে, তখন রিয়াল মাদ্রিদের আশার আলো আরেকটু উসকে দিল অ্যাতলেটিকো বিলবাও। বার্সালোনার সাথে গোল শূন্য ড্র করেছে তারা। আর এই ড্রয়ে রিয়ালের সাথে পয়েন্ট ব্যবধান কমে ৬ হয়েছে বার্সার।

গতরাতে বিলবাওয়ের মাটিতে শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ছিল বিলবাও। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটের সময়ই নেলসন সেমেদোর হাতে বল লাগে বার্সার ডিবক্সের ভেতরে। তবে তাতে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি রেফারির পক্ষ থেকে।

ম্যাচের ১৭ মিনিটের নিশ্চিত গোল বাঁচান বার্সা গোলরক্ষক স্টেগান। বিলবাওয়ের মার্কেল সাসায়েতার শট অবিশ্বাস্য ভাবে উড়ে গিয়ে কর্নারের বিনিময়ে আটকে দেন স্টেগান।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে আরেকবার সুযোগ আছে বিলবাওয়ের সামনে। এবার গার্সিয়ার বাইসাইকেল কিক আটকে দেন স্টেগান।

ম্যাচের ২৬ মিনিটে সহজ গোলের সুযোগ পেয়েছিল মেসি। বিলবাও গোলরক্ষক বক্সের বাইরে চলে আসলে ফাকা গোলপোস্টে বল পাঠানোর সুযোগ ছিল মেসির সামনে। কিন্তু এই তারকার নেয়া চিপ বারের উপরের দিয়ে চলে যায়।

বিরতির পর ম্যাচের ৪৮ মিনিটে ডিবক্সের ভেতরে বিলবাওয়ের এক তারকার হাতে বল লাগলেও সেটা এড়িয়ে যান রেফারি। বিরতির পর প্রথম থেকে ৬৩ মিনিট পর্যন্ত টানা আক্রমন করে বার্সা। তবে এই সময়ে তারা কোন গোলের পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

পাল্টা আক্রমনে আবার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল বিলবাও। মাইকের সান জোসের শট বারের পাশ দিয়ে বেড়িয়ে গেলে বেঁচে যায় বার্সা।

৮১ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক মিস করেন ইনাকি উইলিয়ামস। পোস্টের সামনে থেকে নেয়া শট সরাসরি লাগে স্টেগানের গায়ে।

তবে গোল না পেলেও লাল কার্ড দেখে বিলবাও তারকা অস্কার ডি মার্কোস। ম্যাচের অতিরিক্ত টাইমে গিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বিলবাও। তবে তাতে কোন লাভ হয়নি বার্সার। ম্যাচটি ড্র করেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।