চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই কাদেরের হার্ট অ্যাটাক: ডা. কনক কান্তি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হার্ট অ্যাটাক হয়। ৭২ ঘণ্টা পার না হলে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছুই বলা যাবে না।

রবিবার (৩ মার্চ) সকালে ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্রিফ করতে গিয়ে বিএসএমএমইউ উপাচার্য এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওবায়দুল কাদের প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তাৎক্ষণিক তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়। পরে এনজিওগ্রাম করে দেখা যায়, তাঁর হার্টে তিনটি ব্লক। একটিতে স্টেন্টিং করে দেয়া হয়েছে।

বিএসএমএমইউর উপাচার্য বলেন, আপাতত ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে তিনি ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।

বিষয়টি নিয়ে বিএসএমএমইউর প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কার্ডিওলজির প্রধান অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক বলেন, ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তিনি শঙ্কামুক্ত নন। ৭২ ঘণ্টা পর এ ব্যাপারে বলা যাবে।

তিনি বলেন, তার এনজিওগ্রাম করা হয়েছে। তাঁর হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটিতে রিং পরানো হয়।

ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালটির কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলী আহসান এনজিওগ্রামের প্রতিবেদন দেখে বলেন, সেতুমন্ত্রীর এনজিওগ্রাম করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। এর মধ্যে একটি ওপেন করা হয়েছে। সকালের চেয়েও এখন শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সার্বিকভাবে তার শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, ৭২ ঘণ্টা না গেলে কিছুই বলা যাবে না।