টেস্টে ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করলেন সৌম্য সরকার

হ্যামিল্টনে সিরিজের প্রথম টেস্টের বল-ব্যাটে নিজে প্রমাণ করেছেন সৌম্য সরকার। বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে ইনিংস ও ৫২ রানের ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ২৩৪ রান করে অল আউট হয়েছিল। তামিম ইকবাল একাই করেছিল ১২৬ রান। বাকি ১০ তারকা মিলে করেছিল ১০৮ রান। সবাই ব্যর্থতায় নাম লিখিয়েছিল। যদি এই ইনিংসেও ৪০০/৫০০ রান বাংলাদেশ করতে পারত তাহলে অনায়াসেই এই ম্যাচে লড়াই করতে পারত বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতার কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪২৯ রান করেও ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারেনি টাইগাররা। এই ইনিংসে তামিমের অর্ধশতকের সাথে সাথে সেঞ্চুরি করেছেন সৌম্য ও রিয়াদ। দুজনেই দেড়শ ছুই ছুই রান করলেও হার আর এড়ানো যায়নি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস তাই আফসোসই বাড়িয়েছে কেবল।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে ভালই জবাব দেন সৌম্য সরকার। দুর্দান্ত সেঞ্চুরিও তুলে নেন তরুণ সৌম্য। সেই সঙ্গে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডে তামিম ইকবালকে ছুঁয়েছেন সৌম্য সরকার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যামিল্টন টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে শনিবার ৯৪ বলে সেঞ্চুরিতে তামিমের কীর্তি ছুঁয়ে ফেলেন তিনি।

এর আগে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে স্মরণীয় সেই ইনিংসের পথে তামিম রেকর্ড গড়েছিলেন ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করে।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন দারুণ জুটি। এতে নিউজিল্যান্ডকে সমুচিত জবাব দিচ্ছিল টাইগাররা। তবে হঠাৎই খেই হারালেন সৌম্য। ট্রেন্ট বোল্টের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফিরলেন তিনি। আউট হওয়ার আগে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সৌম্য। ফিরেছেন ক্যারিয়ারসেরা ১৪৯ রানের বীরোচিত ইনিংস খেলে। ২১ চার ও ৫ ছক্কা হাঁকান তিনি।

আর এই টেস্টে ২১ ওভার বল করে ১ মেডেন নিয়ে ৬৮ রান দিয়ে ২ উইকেটও তুলে নিয়েছেন তিনি। অথচ বাংলাদেশের প্রধান বোলাররা মাত্র ১ টি উইকেট পেয়েছে।