দুঘটনায় আহত কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলমের সর্বশেষ অবস্থা জানা গেল

বগুড়ায় শুক্রবার গভীর রাতে শহরের চারমাথা ঝোঁপগাড়ি এলাকায় তাকে বহনকারী প্রাইভেটকারে একটি ট্রাক ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে খুরশীদ আলম ও অপর দুজন আহত হন। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনায় আহত কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা জানান, তার মাথায় সেলাই দেয়া হয়েছে; বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত।

গুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান সুশান্ত কুমার সাংবাদিকদের বলেন, খুরশীদ আলমের মাথায় রক্তক্ষরণ হয়নি; আঘাতে কয়েকটি দাঁত ভেঙে গেছে।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. রেজাউল আলম জুয়েল জানান, শিল্পী খুরশীদ আলমের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। তিনি ভালো আছেন।

এদিকে, শিল্পীর ছোট ভাই মুরশীদ আলম জানান, কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম শুক্রবার শহরতলির গোকুলে হোটেল মম ইন-এ জয়পুরহাট কল্যাণ ট্রাস্টের এক সম্মাননা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন। তার সঙ্গে খোকন ও স্বাধীন নামে স্থানীয় দুজন ব্যক্তি ছিলেন। শুক্রবার রাতে শহরের কলোনিতে চুন্নুর দোকানে কাবাব ও চাপ খান।

তিনি জানান, রাত ২টার দিকে শহর থেকে খোকন গাড়ি চালিয়ে খুরশীদ আলম ও স্বাধীনকে নিয়ে চারমাথা এলাকায় সেঞ্চুরি মোটেলে যান। গাড়িতে খুরশীদ আলমকে বসিয়ে রেখে ওই দুজন প্রায় আধা ঘণ্টা ওই হোটেলে অবস্থান করেন। রাত ৩টার দিকে তিনজন শহরতলির গোকুলে পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন’র দিকে রওনা হন।

খুরশিদ আলমের সর্বশেষ অবস্থা বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম রসুল জানান, প্রথমে তার সিটিস্ক্যান করা হবে। এরপর পরিস্থিতি অনুসারে তাকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া তার চিকিৎসায় সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার বিষয়ে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান, দুর্ঘটনাকবলিত কারটি জব্দ করে পুলিশ লাইনসে রাখা হয়েছে। এছাড়া শনিবার সকাল পর্যন্ত ট্রাকটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। আহত খোকন ও স্বাধীন কোথায় চিকিৎসা নিয়েছেন, সে সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।