পুরস্কার দেওয়া হল ভাইরাল হওয়া সেই নাঈমকে

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বনানীর এই টাওয়ারে আগুন লাগে। ভবনের ৯ম তলায় আগুনের সূত্রপাত। পরে আগুন ২৩তলা ভবনের বেশ কয়েকটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ৭টায় আগুন নেভায় ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশবাসি শোকে মুহ্যমান। তখন ব্যাতিক্রম ছিলেন ছোট্ট নাঈম। সবাই যখন ছবি আর ভিডিও করতে ব্যস্ত তখন নাঈমকে দেখা গেছে ফায়ার সার্ভিসের লোকজনের সাথে পানির পাইপ ধরে রাখাতে। আর ছোট্ট একটি শিশুর ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

আর শিশু নাঈমের এমন মানবিক কাজে খুশি হয়ে তাকে উপহার স্বরূপ পাঁচ হাজার ডলার প্রদানের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ওমর ফারুক সামি। পাশাপাশি তার যাবতীয় পড়ালেখার দায়িত্ব গ্রহণেরও কথা জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে সিলেটের গোপালগঞ্জ উপজেলার ওমর ফারুক সামি গণমাধ্যমকে জানান, ‘‌আমি নাঈমের কাজে খুবই খুশি হয়েছি। নাঈম খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করছে, সে পুলিশ অফিসার হতে চায়। তার ইচ্ছেপূরণ করতে আজ থেকে তার পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে তার উপহারের পাঁচ হাজার ডলারও প্রদান করব।’

এই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই বিষয়ে নাঈমের পরিবারের সঙ্গে ইতিমধ্যে আলাপ হয়েছে বলেও জানান।

জানা গেছে, শিশু নাঈম ইসলাম কড়াইল বস্তি এলাকার বৌ বাজারের রুহুল আমীনের ছেলে। বৌ বাজারের আনন্দ স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া নাঈম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাইপের লিকেজে পলিথিন পেচিয়ে ধরে বসে ছিল। গতকাল থেকে সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবিটি হয়েছে ভাইরাল। এরপর সাড়া দেশে প্রশংসায় ভাসছে ছোট্ট নাঈম।