ভাই দোকানওয়ালার তো সব গেছে, ডিম নষ্ট হচ্ছে তাই খেয়ে নিচ্ছি!

গুলশান-১ এর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ১৮৮টি দোকানের সবগুলোই পুড়ে গেছে। শনিবার ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ওই ডিএনসিসি মার্কেটে আগুনের সূত্রপাত হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট ও নৌবাহিনীর দুটি ইউনিট যুক্ত হয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ওই মার্কেটের প্রায় ১৮৮টি দোকান রয়েছে। সবগুলোই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

এর আগের বছর ২ জানুয়ারি রাত ২টার দিকে রাজধানীর গুলশান ১ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটে আগুন লাগে। ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে মার্কেটের প্রায় ৬০০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর বছর পেরোতে না পেরোতেই আবারও এই অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা তখন এই সুযোগেই নিজেদের স্বার্থ ও পেট পুরতে ব্যস্ত অনেকে। গুলশানের পোড়া মার্কেটে সুযোগসন্ধানী মানুষদের অনেকেই দেখার ছলে প্রবেশ করেছেন। তারা পুড়ে যাওয়া জিনিস থেকে ভালো কিছু নিতে সটকে পড়ার ধান্দায় ব্যস্ত। অবশ্য পুলিশি তৎপরতায় সফল হতে পারছেন না অনেকে।

পুলিশি তৎপরতায় মধ্যেও দুপুর দেড়টার দিকে একটি ডিমের দোকানে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। পুড়ে যাওয়া এক ডিমের দোকান থেকে পোড়া ডিম কুড়াতে দেখা গেছে অনেককে। আবার কেউ কেউ ডিম পকেটে ভরে চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ সেখানে দাঁড়িয়েই একের পর এক পোড়া সিদ্ধ ডিম খাচ্ছেন।

এ সময় মালিকের অনুমতি ছাড়াই ডিম খাচ্ছেন কেন, এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক ব্যক্তি বলেন, ভাই দোকানওয়ালার তো সব গেছেই। এখন এই পোড়া ডিম নষ্ট হচ্ছে তাই খেয়ে নিচ্ছি।