ভোটার উপস্থিতি কম থাকার পাঁচটি কারণ জানালেন সেতুমন্ত্রী

ঢাকা সিটি নির্বাচনে ভোটার কম হওয়ার পাঁচটি কারণ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ ০১ মার্চ শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভোটার উপস্থিতির কারণ বলতে গিয়ে সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘ভোটের দিন ছুটি থাকায় অনেক ভোটার বাড়ি চলে গেছেন। বড় একটি দল অংশ নেয়নি। দিনের শুরু থেকেই বৃষ্টি ছিল। এছাড়া এটা একটা উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল।’

এ সময় নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ না করার ব্যাপারে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সুবিধা বুঝে বিএনপি নির্বাচন করে। তবে বিএনপি যেভাবে একের পর এক নির্বাচন বয়কট করা শুরু করেছে, তাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া, মোটেই গণতান্ত্রিক পথ নয়।’

এ সময় সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজনীতি জোয়ার ভাটার মত। আজ আমরা আছি, কাল নাও থাকতে পারি। একটি রাজনৈতিক দল আজীবন ক্ষমতায় থাকবে এমন অহমবোধ থাকা উচিত নয়।’

এ সময় সিটি উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার ব্যাপারে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সালে ১০ শতাংশ ভোট নিয়ে সাদেক হোসেন খোকা মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এতকিছুর পরও তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। তাই সব মিলিয়ে নির্বাচন ভাল হয়েছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ডিএনসিসির উপ-নির্বাচানে জয়ী হন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির শাফিন আহমেদের চেয়ে ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৮৭৩ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি।

এদিকে ১ হাজার ২৯৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, আতিকুল পেয়েছেন ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩০২ ভোট। আর শাফিন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৪২৯ ভোট। মেয়র পদে অপর তিন প্রার্থী এনপিপির আনিসুর রহমান দেওয়ান ৮ হাজার ৬৯৫, পিডিপির শাহীন খান ৮ হাজার ৫৬০ এবং স্বতন্ত্র আব্দুর রহিম ১৪ হাজার ৪০ ভোট।