রেফারির সমালোচনায় পিএসজি

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং পিএসজির মধ্যকার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে ছড়িয়েছে বিতর্ক। আর এই বিতর্কের জন্মদাতা স্বয়ং রেফারিই।

ম্যাচের একেবারেই শেষ মুহুর্তে পিএসজির বিপক্ষে পেনাল্টি দেয় রেফারি। সেটা অবশ্য দেয় ভিডিও রেফারিরা। ভিএআর এর মাধ্যমে দেখে সেটাকে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেয়ায় ক্ষেপে নেইমারসহ পুরো পিএসজি।

ম্যাচের অন্তিম মুহুর্তে ম্যানইউর তারকা ডিয়োগো ডালতের শট উড়ে যায় পিএসজির বারপোস্টের উ্পর দিয়ে। কিন্তু উড়ে যাওয়ার আগে হাত স্পর্শ করে পিএসজি তারকা কিম্পেম্বের।

যখন কেম্পেম্বের হাত স্পর্শ করে তখন সে পেছন ফেরানো অবস্থায় ছিল। ফলে এখানে তার ইচ্ছাকৃত ভাবে হাত লাগানো কিংবা হাত সরিয়ে ফেলবে এমন কোন অবস্থা-ই ছিল না। ফলে এটা ফুটবলীয় দৃষ্টিকোন থেকে কোন ভাবেই পেনাল্টি ছিল না। একই সাথে পেনাল্টি না হওয়ার জন্য আরেকটি যুক্তি ছিল বলটি উড়ে যাচ্ছিল বারের উপর দিয়ে।

কিন্তু সেটাকেই পেনাল্টি দেয়াতে ক্ষেপেছেন নেইমার। পিএসজি তারকা নিজের ইনস্টগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেন, “এটা কলঙ্ক, এটা লজ্জার। উয়েফা চারজন মানুষ ভিএআর এর সামনে বসিয়ে দিয়েছে যারা ফুটবলই জানেনা।”

পিএসজি অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা বলেন, “তারা রেফারি এবং তারা সবাই এটা পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দিল। এটা লজ্জার এবং আমাদের হাতে কোন সময় ছিল না।”

পিএসজি কোচ থমাস টুখেল বলেন, “আমি ভিএআরের পক্ষে। কিন্তু এই শটটি টার্গেটে ছিল না। যদি এটা টার্গেটে না থাকে তাহলে এটা কোন ভাবেই পেনাল্টি নয়। পেনাল্টি অথবা পেনাল্টি নয়, এটার জন্য ব্যখ্যা তো প্রয়োজন।”

“নিয়ম এখানে পরিষ্কার নয়। এটা কোন শট ছিল না। কিন্তু এটা পেনাল্টি হয়ে গেল।”

এই সিদ্ধান্তে ক্ষেপেছেন পিএসজি মালিক নাসের আল খেলাফিও। তিনি বলেন, “আমার মতে এটি পেনাল্টি ছিল না। পিএসজি বলেই এই্ সিদ্ধান্ত আমাদের বিপক্ষে গেছে। যদি পিএসজির জায়গায় অন্য কোন ক্লাব হত তাহলে এই সিদ্ধান্ত এত সহজে আসত না।”

রেফারির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কুইনহোসও।