লজ্জার রেকর্ডে সবাইকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মেহেদি মিরাজ

বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে করা ৭১৫ রানের থেকে এখনো ৩০৭ রানে পিছিয়ে আছে টাইগাররা।

আজ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮১ রানে পিছিয়ে থেকে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তামিম এবং সাদমানের দারুণ এক ওপেনিং জুটিতে ভালোই এগিয়ে যাচ্ছিল তারা। কিন্তু ৮৮ রানের মাথায় সাদমান বাউন্সার খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৩৭ রান করে আউট হলে পতন শুরু হয় বাংলাদেশের। এরপর মুমিনুল হক ৮, মিঠুন ০ এবং শেষে তামিম ইকবালও ৭৪ রান করে বিদায় নেন। ৮৮ রানে বিনা উইকেট থেকে হয়ে যায় ১২৬ রানে চার উইকেট।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য এই দিনে আর কোন বিপর্যয় ঘটতে না দিলে ১৭৪ রান করে দিন শেষ করে বাংলাদেশ সেই ৪ উইকেটেই। ইনিংস পরাজয় এড়াতে এখনো প্রয়োজন ৩০৭ রান। হয়তো অলৌকিক কিছু হলেই কেবল সম্ভব।

এর আগে কেন উইলিয়ামসনের ২০০, জিত রাভালের ১৩২, টম লাথামের ১৬১ রানের উপর ভর করে ৬ উইকেটে ৭১৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। এদের ছাড়াও হেনরি নিকোলস ৫৩, নেইল ওয়াগনার ৪৭, ওয়াটলিন ৩১ ও গ্রান্দেহোম ৭৬ রান করেন।

এদিকে, এদিন লজ্জার এক রেকর্ড গড়েছেন মেহেদি মিরাজ। ৪৯ ওভার বোলিং করে ২টি মেইডেনসহ ২টি উইকেট শিকার করতে পারলেও রান দিয়েছে ২৪৬। ফলে এখন পর্যন্ত টেস্টের এক ইনিংসে বেশি রান দেয়া বাংলাদেশী বোলার হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছেন মিরাজ। আর টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান দেয়া বোলারদের মধ্যে ৬ নম্বরে তিনি।

এর আগে বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে এই লজ্জাজনক রেকর্ডের শীর্ষে ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রামে এক ইনিংসে ৬৭.৩ ওভার বোলিং করে ২১৯ রান দিয়ে ৪টি উইকেট পেয়েছিলেন এই স্পিনার। মেইডেন পেয়েছন ১৩টি।

তালিকায় শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার চায়নাম্যান বোলার চাক ফ্লিটউড স্মিথ। তিনি ১৯৩৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওভালে ৮৭ ওভার বোলিং করে ২৯৮ রান খরচায় মাত্র ১ উইকেট নেন। আর মাত্র ৬টি মেইডেন ওভার পেয়েছিলেন তিনি।