সিসিইউতে জ্ঞান ফিরেছে ওবায়দুল কাদেরের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসি অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, ‘পা নাড়াচ্ছেন, চোখও খুলছেন ওবায়দুল কাদের। আমরা শতভাগ আশাবাদী তবে শঙ্কামুক্ত নই। ওনার অবস্থা আগের চেয়ে ভালে। উনি চোখ খুলছেন, পা নাড়াচ্ছেন, কথা বলার চেষ্টা করছেন।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিল্টন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘আপনারা সকলকে জানিয়ে দেন, আমরা যেন নিরিবিলি তার চিকিৎসা করতে পারি। কেউ যেন ভিড় না করেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ডাক দিলে তিনি মিটমিট করে তাকিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ডাক দিলে বড় চোখ করে তাকিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।’ ‘মোহাম্মদ নাসিম যখন তাকে ডাকেন তখনও তিনি চোখ খুলে কথা বলার চেষ্টা করেন।’

এদিকে, ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় দিনভর ভেন্টিলেটর মেশিনে অচেতন থাকলেও রাতে তার জ্ঞান ফিরে। চোখ মেলে তাকিয়েছেন তিনি। তার উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, প্রস্রাবও হয়েছে। এমনকি ইশারায় তিনি পানি চাইলে চিকিৎসকরা তাকে নলের মাধ্যমে পানি খেতে দেন।

রাত পৌনে ১০টায় এ তথ্য জানান বিএসএমএমইউর একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।

ওই চিকিৎসক জানান, সিসিইউতে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয়েছিল যে চিকিৎসকরা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে বাংলাদেশে পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি বেঁচে থাকবেন কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে দেখে যাওয়ার পর থেকে অনেকটা ‘মিরাকল’ ঘটনার মতোই তার শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হতে থাকে।