সেই ধর্ষক রুহুলের জামিন বাতিল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রুহুল আমিনকে হাইকের্টের দেওয়া এক বছরের জামিনাদেশ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট।

আজ (২৩ মার্চ) শনিবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের চেম্বার কক্ষে জামিনের আদেশটি রিকল করে আগের জামিন আদেশ বাতিল করেন। এ সময় বিচারপতিদের ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায় ও অমিত তালুকদার।

এর আগে গত ১৮ মার্চ হাইকোর্ট রহুল আমিনকে এক বছরের জামিনের আদেশ দেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। একইসঙ্গে আসামিপক্ষের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ার সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের বিভ্রান্তকর তথ্য দেওয়ারও অভিযোগ ওঠেছে।

এদিকে হাইকোর্টের জামিন আদেশের অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায় বলেন, ‘আসামির জামিন আবেদনটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে শুনানির জন্য ফাইল করা হয়।

কিন্তু পরবর্তীতে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে রুহুল আমিনের জামিন করানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষকে বিভ্রান্ত করার ফলে যেদিন আসামির জামিন হয়, সেদিন আমরা বুঝতেই পারিনি কোনও জামিন হয়েছে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আসামির জামিন আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেছিলেন আইনজীবী মো. আশেক-ই-রসুল। শুনানিকালে ওই আইনজীবী আদালতকে বলেছেন, মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) আসামি রুহুল আমিনের নাম নেই।

তাছাড়া, মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। এরপর আমরা আদেশটির বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদালতকে অবহিত করি। পরে আদালত জরুরি ভিত্তিতে শনিবার নিজ চেম্বারে আদেশটি রিকল করেন এবং আগের জামিন আদেশটি বাতিল করেন। আগামী সপ্তাহে আমাদের (রাষ্ট্রপক্ষের) আবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য তোলা হবে।’