আদাবর থানা ছাত্রলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হাসপাতাল পাঠিয়েছে দুবৃর্ত্তরা

রাজধানীর আদাবর থানা ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে দুবৃর্ত্তরা। এতে আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে আদাবর থানা ছাত্রলীগের অফিসের সামনে ৮-১০ জন পাইপ নিয়ে হঠাৎ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।

বিষয়টি নিয়ে আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ বলেন, আমি এবং মিরাজ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বৈশাখের পাঞ্জাবির অপেক্ষা করছিলাম। আমার বৈশাখের অর্ডার দেয়া পাঞ্জাবি আসতে দেরি হওয়ায় অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ দুটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন এসে বলে এলাকা ছেড়ে দিবি। এ কথা বলে তারা চলে যায়।

এ ঘটনার কয়েক মিনিট পর ৮-১০ জন এসে বলে, তোদের না এলাকা ছাড়তে বলেছি, এখনও ছাড়িস নাই। বস বলছে তোদের এলাকা ছাড়তে। এ কথা বলেই পাইপ দিয়ে আমার চোখের কোনায় আঘাত করে। পাইপের মাথায় চোখা কি যেন ছিল সেটি আমার চোখের কোনায় ঢুকে যায়। পরে তারা দৌড়ে চলে যায়।

তিনি বলেন, ওরা সবাই ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল হাসু কমিশনারের লোক। এর আগেও আমার ওপর হামলা চালিয়েছিল হাসু কমিশনারের লোকজন। সে সময় আমি ৭ দিন আইসিইউতে ভর্তি ছিলাম। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। হামলার সবাইকে আমি চিনি। এদের মধ্যে ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ ইদ্রিস, রায়হান, উজ্জল, হিমেল, মধু, শাহীন, রনি ও সোহান। বাকি কয়েকজনকে আমি চিনতে পারি নাই।

এদিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ডিউটিরত ডা. সোনালী বলেন, আহতদের অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাই সেলাই দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেয়া হয়েছে। কয়েকটি টেস্ট দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে আদাবর থানার ওসি কাউসার আহমেদ বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি, এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তবে আদাবর থানা ছাত্রলীগ সভাপতির অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। এছাড়া, হাসু কমিশনারের মুঠোফোনে বারবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।