আমি বহুদিন গোসল না করে অফিস করেছি: সমবায় মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন একটা সময় ওয়াসার পানি সঙ্কটের কারণে বহুদিন গোসল না করে অফিস করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশে অগ্নিনির্বাপন প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি একথা জানান।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসা নিয়ে ইদানিং বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। আমি এখানে কথা বলি, ওয়াসার পানির ৯৯ পার্সেন্ট ড্রিংকেবল ওয়াটার না, নন-ড্রিংকেবল ওয়াটার। ৯৯ পার্সেন্ট পানি ব্যবহার হয় কিসে- ধোয়ামোছার কাজে, গোসল করাসহ ইত্যাদি কাজে। ওয়ান পার্সেন্ট পানি পানের কাজে ব্যবহার হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে এই শহরে (ঢাকা) বসবাস করি, চট্টগ্রামে বসবাস করি, আমি গ্রামে বসবাস করি। যেহেতু রাজনীতি করি বাংলাদেশের বেশিরভাগ জায়গায় যাই। আমি ভেরি অনেস্টলি বলি, নট দ্যা সেন্স অব এনি পারসিয়াল অর পলিটিক্যাল। আমরা ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় আসি, আমি বহুদিন গোসল না করে অফিস করেছি। গুলশানের মতন জায়গায় আমি বসবাস করি। যেটাকে নম্বর ওয়ান পস এরিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি চট্টগ্রামে খুলশীতে থাকি, সেখানেও দেখা গেছে যে আমি গোসল করতে পারি নাই। গাড়িতে করে পানি আনিয়ে ব্যবহার করছি। চট্টগ্রামের সিডিএ এলাকাতে ৩/৪ বছর পর্যন্ত ওয়াসার কোনো পানি যায়নি। হালিশহর এলাকাতে পানি পাওয়া যাবে না- এটা সবার মাইন্ডসেট হয়ে গেছে, যদি আসে এটা একটা আশ্চর্য ধরনের ঘটনা ঘটবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঢাকা শহরে গত ৭-৮ বছরের মধ্যে পানি আমার বাসায় আসেনি, এমন কোন ঘটনা নাই। আর অ্যাপারেন্টলি পানি দেখে আমার কাছে কখনই মনে হয় নাই যে এই পানিটার মধ্যে ময়লা আছে। আগের তুলনায় পানির মান উন্নত হয়েছে। আমাদের এখানে নির্মাণ শ্রমিকেরা দেখি পাইপ লাইনের পানি জগে নেয় এবং খায়। এক বছর পর্যন্ত তারা অসুস্থ হয় নাই। ঘটনাটা হলো কে খাবে, কে খাবে না- এটা ডিপেন্ড করবে আপনি কতটুকু রিস্ক নেবেন।’

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।