তার মাথায় একটু গোলমাল আছে: ওয়াসা এমডি

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি )তাকসিম এ খান দাবি করেছেন, শরবত খাওয়াতে চাওয়া জুরাইন এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমানের মাথায় গোলমাল আছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) বেসরকারি এক টেলিভিশনকে ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘পাইপ ফেটেও যে যায়, আর সেটাও ধরেন একেবারে কোনো অ্যাক্সিডেন্ট ছাড়া ফাটে না। আর সেটারও মোটামুটি একটা স্ট্যাটিসটিক্স আছে। আর এটাতো পার্ট, আপনি হাউ ক্যান ইউ মিক্সড যে একটা আনপ্ল্যান সিটি ঢাকা, বেগার সিটি, ডেভেলপিং কান্ট্রি তার মধ্যে ১০০% প্ল্যানড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট। সেটা কি হয়, সেটা কি সম্ভব?। তো এখানে ঠিকই আছে, এখানে নতুন কিছু নাই।’

ওয়াসার এমডি বলেন, ‘আমার যেটা ইস্যু ছিল সেটাতো অন্য। সেটাতো হলো টিআইবি যে ঘটনা বলেছে টিআইবি মানে ইউ নো হোয়াট ইজ টিআইবি। যাই হোক সেটা থাক। টিআইবির এই রিপোর্টটা আমি প্রত্যাখ্যান করছি। এ ব্যাপারে কোনো আলোচনা করতে আমি রাজি না।’

পানি নিয়ে ভুক্তভোগী নগরবাসীর ওয়াসা ভবনে প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ‘সাজানো নাটক’ উল্লেখ করে ওয়াসার এমডি বলেন, ‘আমরা আমাদের স্টাডি থেকে পেয়েছি যে, লিকেজ থেকে বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়। এখন জানা দরকার, তাকে দিয়ে এই ষড়যন্ত্র করালো কে? এটা একটা সাজানো নাটক।’

তিনি বলেন, ‘এটা তার বাসার পানি না। তাহলে সে আসলো, তার বাসার পানি নোংরা এবং সে এটার প্রতিবাদ জানাতে এসেছে। দ্যাটস নট অ্যা ট্রু। তাকে কে সহযোগিতা করছে, এটা জানা দরকার। অনেকেই তো চায় এই সরকারক হেয় প্রতিপন্ন করতে।’

‘শরবত’ খাওয়াতে চাওয়া মিজানুরের মিজানুরের ভাই কি বলেছে-আবারো জানতে চাইলে তাকসিম এ খান বলেন, ‘তার ভাই বলেছে, দেখেন ও (মিজানুর) একটু “ই” মানে কি বলবো আমি। উনার ভাষায়, তার মাথায় একটু গোলমাল আছে। গোলমাল না তার মাথায় গোলমাল আছে।’

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এমডিকে ওয়াসার ‘সুপেয় পানি’ দিয়ে বানানো শরবত খাওয়াতে কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনে যান মিজানুর রহমান। এ সময় তাদের সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি, চিনির প্যাকেট ও লেবু ছিল। কিন্তু ওই শরবত খাননি ওয়াসা এমডি।