নুসরাতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: মানবাধিকার কমিশন

নুসরাতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ২৭ মার্চ মামলার পর স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে নুসরাতকে বাঁচানো যেত। আর এ হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. সিরাজ উদদৌলা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) আল মাহমুদ ফয়েজুল কবির।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় ওই মাদরাসা পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গত ২৭ মার্চ নুসরাতকে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নিলে, হয়তো নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনা এড়ানো যেত।

আল মাহমুদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ঘঠন করা হয়। আর এই দল প্রথমে ঘটনাস্থল সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তারা প্রধান অভিযুক্ত আসামি মাদরাসার অধ্যক্ষ এ এস এম সিরাজ উদদৌলার অফিস কক্ষ ও যেখানে নুসরতকে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে হত্যা করা হয়, সে স্থান পরিদর্শন করেন।

এর পর তারা নিহত নুসরাতদের সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চর চান্দিয়ায় মেজো হুজুরের বাড়ি যান। সেখানে নুসরাতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত দল।

পরে প্রেস বিফ্রিংয়ে আল মাহমুদ বলেন, নুসরত হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল নুসরাতকে মাদরাসার ছাদে ডেকে নিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। এর পর গত বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত।