ভাগ্নের অকাল মৃত্যুতে স্তব্ধ পার্থ

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে সিরিজ বোমা হামলায় নিহত শিশু জায়ান চৌধুরীর মৃত্যুতে স্তব্ধ বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থও। পারিবারিক সূত্রে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য এরা সবাই। জায়ান শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি। শেখ ফজলুল করিম সেলিম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বোনের ছেলে।

সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই হন সেলিম। সেলিমের ছোট বোন রেবা রহমানের ছেলে আন্দালিব রহমান পার্থ। সেই সূত্রে পার্থর মামাতো বোনের ছেলে হন নিহত জায়ান। ভাগ্নের এমন অকাল মৃত্যুতে পার্থ নিজেও স্তব্ধ এবং শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন।

আবার পার্থর স্ত্রী শেখ হেলালের বড় মেয়ে শেখ সায়রা রহমান। শেখ হেলাল বঙ্গবন্ধুর ভাতুস্পুত্র এভং শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই। সেই সুবাদে পুরো বঙ্গবন্ধু পরিবারই এই ঘটনায় শোকাহত।

এদিকে পার্থ যে দলের মতাদর্শেই রাজনীতি করুক না কেন, তাদের সবার পারিবারিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং মজবুত। নিহত জায়ান পার্থরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিল। তাই জায়ান নিহতের ব্যাপারটি মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে তারও।

এদিকে শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলায় সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরী (৮) মারা যায়। রবিবার রাতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, শেখ সেলিমের মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়া তার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স ও দুই ছেলেকে নিয়ে শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে যান। তারা উঠেছিলেন কলম্বোর পাঁচ তারকা একটি হোটেলে। গতকাল রবিবার সকালে ইস্টার সানডের প্রার্থনার মধ্যে শ্রীলঙ্কায় তিনটি গির্জা ও তিনটি হোটেলে বোমা হামলা হয়।

এর মধ্যে হামলার শিকার একটি হোটেলের নিচতলার রেস্তোরাঁয় সকালের নাস্তা করতে গিয়েছিলেন প্রিন্স ও তার বড় ছেলে জায়ান চৌধুরী। ছোট ছেলে জোহানকে নিয়ে শেখ সোনিয়া ওই সময় হোটেলের কক্ষে ছিলেন।

এ সময় বোমা হামলায় প্রিন্স আহত হন এবং ছেলে জায়ান নিখোঁজ হয়। পরে জায়ানের মৃত্যু খবর আসে। জায়ান চৌধুরীর মরদেহ আগামীকাল মঙ্গলবার দেশে আনা হবে।