শাহপরানে শিশু ধর্ষণ, ১০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি সুরত আলী

আবুল হোসেন, সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের শাহপরান থানাধীন ছড়ারপাড় এলাকার ৬৫ বছরের বৃদ্ধ সুরত আলীর বিরুদ্ধে এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। দীর্ঘ দশ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সুরত আলীকে গ্রেফতার কেরনি পুলিশ।

সর্বশেষ গত (৩১ মার্চ) রোববার শাহপরান গেইট এলাকার এক স্কুলের ৫ম শ্রেণির ১১ বছরের শিশু ছাত্রীকেধর্ষণ করে সুরত আলীর। এই ধর্ষণের ঘটনায় সুরত আলীর বিরুদ্ধে শিশুর পরিবারের পক্ষে শাহপরান থানায় একটি ৪ -৪/০৪/২০১৯ নং মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসী শাহপরান গেইটে ধর্ষক সুরত আলীর শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা কলেন, সুরত আলী একজন চরিত্রহীন লম্পট তার বিরুদ্ধে অনেক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু কোনভুক্তভোগী তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে পারেনি। মামলা করার আগেই থানায় চলেযান প্রভাবশালী নেতারা।

এই মামলাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আফসর আহমদ ও লালখাটঙ্গি এলাকার ফজল মিয়া পূত্র বদরুল ওতাজুল। তারা সুরত আলীকে বাচাঁনোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বলে জানিয়েছেন বক্তারা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জবরুল হোসেন, ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নের ৫নংওয়ার্ডের সদস্য কবির আহমদ, ইসলামাবাদ জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লী আব্দুল খালিক, ইকবাল হোসেন শামিম, জামিল আহমদ, আফসার আহমদ, মান্না আহমেদ, সুব্রতচন্দ্র, সাদ্দাম, মামুন আহমদ, হেলাল আহমদ, সোহেল আহমদ, আনহার আহমদ, সাইম আহমদ, ফরিদ আহমদ, রাজু।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সুরত আলী গত (৩১ মার্চ) রোববার বিকেলে শিশুটি ঘরের পাশে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলছিল। তখন সে ওই ১১ বছরের শিশুকে তেতুল খাওয়ানোর কথা বলে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই সময় শিশুর আর্তচিৎকারে অন্যান্য শিশুরা এগিয়ে গেলে বৃদ্ধকে উলঙ্গ অবস্তায় দেখতে পান তারা। পরে সুরত আলী সাথে সাথে ওই ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।

বৃদ্ধ সুরত আলী শিশুর পাশের বাসার কেয়ারটেকারের কাজ করে ও শাহপরান ছড়ারপাড় এলাকার স্থায়ী বাসিন্ধা। সুরত আলীরমূল বাড়ি হবিগঞ্জ জেলা সে সিলেটের এসে এক সময় ভিক্ষা করতো। বর্তমানে সিলেটের শাহপরান ছড়ারপার এলাকার বাসাবাড়ির মালিক। শিশুটির চিৎকার ছোটে যান তার ‘মা’ তিনি মেয়ে এই অবস্তা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে শিশুর পিতাকে খরব দেন পিতা মেয়ে আহতাবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন।

এই ধর্ষণের ঘটনায় শিশুর পরিবারের পক্ষে মামলা দায়েরের বিষয়টি শাহপরান থানার ওসি আক্তার হোসেন নিশ্চিত করেন।