আগামীকাল সকাল থেকে মানুষজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হবে

ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণী শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আঘাত হানলে উপকূলীয় জেলাগুলোর মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এর জন্য আগামীকাল ৩ মে শুক্রবরা সকাল ১০টা থেকে উপকূলীয় জেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনা শুরু হবে।

আজ ২ মে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফণী মোকাবিলায় করণীয় এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ সময় সভায় জানানো হয়, সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনার কার্যক্রম শেষ করা হবে।

এদিকে ধেয়ে আসা ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতের সময় জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ৫ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল।

এ সময় তিনি বলেন, ‘৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস ওঠে গেলে দুর্গত এলাকার টিউবওয়েলের মধ্যে লবণাক্ত পানি ঢুকে যায় যেতে পারে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে খাবার পানির সংকট তৈরি হবে। এই সংকট যাতে তৈরি না হয় সেজন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

শাহ্ কামাল আরও বলেন, ‘জলোচ্ছ্বাসের উ্চ্চতা বৃদ্ধির কারণে বসত বাড়িতে পানি ঢুকে ঘড় বাড়ি নষ্ট হযে যেতে পারে। ফলে এ বিষয়ে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষদের সতর্ক করতে আমরা কাজ করছি।’