গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে ‘ফণী’, প্লাবিত হতে পারে ২-৪ ফুট জলোচ্ছ্বাসে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। এ কারণে সর্তকতা নামিয়ে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (৪ মে) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অফিসে ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের পরিচালক আয়েশা খাতুন।

অধিদপ্তরের পরিচালক আয়েশা খাতুন বলেন, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তেমনিভাবে চট্টগ্রাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, কক্সবাজারে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ চট্টগ্রাম, পায়রা, মোংলা এবং কক্সবাজার এই চার সমুদ্রবন্দরেই বর্তমানে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অধিদপ্তর পরিচালক বলেন, ‘অমাবশ্যা আছে এবং আমাদের কোস্টাল রিজিওনে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য আছে, সেই কারণেই আমরা যে উপকূলীয় জেলাসমূহ আছে যেমন- চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ২-৪ ফুট উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।’

আয়েশা খাতুন আরও বলেন, ‘এ কারণে বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে যে সমস্ত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার আছে, তাদেরকে আমরা এখনো নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছি’, বলেন অধিদপ্তরের পরিচালক।