প্রোটিয়া-কিউইদের বিপক্ষে আছে টোটকা বোলার: মাশরাফি

আগামী ২ জুন ওভালে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে টাইগারদের বিশ্বকাপ যাত্রা। দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ৩০ মে থেকে শুরু হবে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মাশরাফি বাহিনী।

আর এবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটারদের মধ্যেই থেকে শুরু করে পুরো জাতির মাঝেই এক অব্যক্ত আকাঙ্ক্ষা কাজ করছে, আর তা হল বিশ্বকাপ জয়ের! আজ কার্ডিফে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।

এবারের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের নিয়ে রয়েছে আলাদা বোলিং পরিকল্পনা। কারণ যারা স্পিনে দুর্বল। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ‘অর্ধেক বোলিং ফিট’ মাহমুদও মূল্যবান মাশরাফির কাছে।এ দুটি দলই স্পিনের সামনে একটু জড়োসড়ো। এর চাইতে অকাট্য যুক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই ম্যাচ দুটির ভেন্যু ওভাল। লন্ডনের এ মাঠটিতে বোলাররা যে ‘রক্তাক্ত’ হবে, তা একরকম ধরেই নিয়েছে বাংলাদেশ।

এ মাঠে উইকেট সমান বাউন্সের এবং আউটফিল্ড বুলেট গতির। ফিল্ডারদের বাধা পেরোলেই বাউন্ডারি। ওই উইকেটে কোনো বোলার ওভারপিছু ৬ রান করে দিলেই অধিনায়কের পিঠ চাপড়ানি পাবেন।

ফলে অধিনায়ক মনে করেন, সেখানে প্রোটিয়া আর কিউই ব্যাটসম্যানদের জন্য বাংলাদেশি টোটকা ধীর গতির বোলাররা দরকার। বললেন কুইন্টন ডি কক, জেপি দুমিনি, ডেভিড মিলারের জন্য অফস্পিন কার্যকর হওয়ার কথা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও একই টোটকা, দেরিতে আসা বল উড়িয়ে মারতে শক্তি প্রয়োগ করে মারতে গেলেই সাফল্যের সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি।

যে কারণে স্কোয়াডের একমাত্র অফস্পিনার মেহেদী হাসানের পাশাপাশি মোসাদ্দেক হোসেনের খণ্ডকালীন বোলিং গুরুত্ব পাচ্ছে দলের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায়। আর সাইড আর্ম অফস্পিন মাহমুদউল্লাহ ওপরও চোখ বুজে আস্থা রাখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।