মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় ফণীর মূল আঘাত

বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। আজ ৩ মে সন্ধ্যায় শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ফণী-র অগ্রভাগ বাংলাদেশে সীমায় প্রবেশ করলেও এর মূল আঘাত আসবে মধ্যরাতে।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ছয় ঘণ্টা আগেই আজ সকালে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে আঘাত করায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায়।

এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, আজ মধ্যরাত নাগাদ ঘূর্ণিঝড় ফণী খুলনা ও এর আশপাশের এলাকায় পৌঁছাতে পারে। তবে আজ সকাল থেকে ফণীর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হয়েছে।

এতে বলা আরও হয়, ফণী আজ সকাল ৯টায় মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪০ পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এদিকে মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী,বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

তাছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়।

এতে আরও বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়া আকারে ২০০ কিলোমিটারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।