মির্জা ফখরুলের বহিস্কার চাইলেন জাহিদ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী বিএনপির পাঁচজন সদস্যের মধ্যে প্রথম শপথ নিয়েছেন জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। জাহিদ শপথ নেওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এ সময় বলা হয়, যারা শপথ গ্রহণ করবে তারা গণ দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। কিন্তু স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তের দুই দিনের মাথায় বিএনপির বাকি চারজনও শপথ গ্রহণ করেন। তখন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা দলীয় সিদ্ধান্তে করা হয়েছে।’

কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে জাহিদুল ইসলাম জাহিদের বহিষ্কারাদেশ এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। তাহলে এক যাত্রায় দুই ফল কেন এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

এ বিষয়ে সাংসদ জাহিদ বলেন, ‘আমি শপথ গ্রহণের আগে তিনদফা দলের মহাসচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। এমনকি মহাসচিবের সঙ্গে কথা বলেই আমি সংসদ ভবনে যাই। তিনি আমাকে শপথও নিতে বলেছেন।’

এ সময় জাহিদ আরও উল্লেখ করেছেন, ‘মহাসচিব আমাকে শপথ নিতে বলেছিলেন এবং বিএনপির মধ্যে এ নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া হয় সেটাও তিনি দেখতে চেয়েছিলেন। অথচ আজ তিনি সাধু হয়ে গেলেন আর আমাকে চোর বানালেন। আমাকে বহিষ্কারও করা হল।’

তিনি বলেন, ‘আমি যদি শপথ নিয়ে অন্যায় করে থাকি, বাকি চারজন যারা শপথ নিলো, তারা কি ন্যায় করলো? আর এটা যদি দলীয় সিদ্ধান্তে হয়, তাহলে দলীয় সিদ্ধান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে মির্জা ফখরুল কেন বহিষ্কার হবেন না?’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘শপথ নেয়াটা যদি দলীয় সিদ্ধান্তে হয়ে থাকে তাহলে মির্জা ফখরুল শপথ না নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করেছেন। কাজেই তার বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।’