আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠের আগে স্বস্তির সংবাদ পেল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচে দুর্বল প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানে বিপক্ষে। প্রতিপক্ষ দুর্বল হলেও বেশ সতর্ক বাংলাদেশ। কেননা সেমি যেতে হলেও পরবর্তী ম্যাচ গুলো বাঁচা মরার লড়াই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরে খাদের কিনারে। আর এই ম্যাচে খেলতে পারেনিন নিয়মিত দুই ক্রিকেটার। মোসাদ্দেক হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

তাদের না থাকাতে হারে হারে টের পেয়েছে বাংলাদেশ। যদিও ইনজুরির কারেণ খেলেননি তারা। তবে আফগানিস্তানে বিপক্ষে মাঠে দেখা যেতে পারে তাদের। শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ দলের ঐচ্ছিক অনুশীলনে সাউথ্যাম্পটনের টিম হোটেল থেকে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, আবু জায়েদ, মোহাম্মদ মিঠুন, সাব্বির রহমানের সঙ্গে বাসে উঠতে দেখা গেল মোসাদ্দেক হোসেনকেও।

তবে সেই দলে নেই মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। দুজনের চোটের অবস্থাও তাতে ফুটে উঠল অনেকটা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন জানালেন, মোসাদ্দেককে নিয়ে শঙ্কা নেই। তবে অনিশ্চয়তা আছে সাইফকে নিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাওয়া কাঁধের চোটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মোসাদ্দেককে পায়নি বাংলাদেশের।

অন্যদিকে, সাইফ খেলতে পারেননি পিঠের ব্যথায়। সাইফ টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি বোলার। ব্যাটিং-বোলিং মিলিয়ে মোসাদ্দেক খানিকটা অবদান রাখছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে বাঁহাতি বেশি বলে এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডারকে সেই ম্যাচে খুব করে চাইছিল দল।

মোসাদ্দেকের অভাব বিষয়ে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, এই দুজনের অভাবই দারুণভাবে অনুভব করেছে দল। সোমবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াই। যেখানে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না বাংলাদেশ। দলের সঙ্গে থাকা নির্বাচক মিনহাজুল জানালেন দুজেনের চোটের সবশেষ অবস্থা। ‘মোসাদ্দেক ফিট। একদম ঠিক আছে। খেলার জন্য পুরোপুরি সুস্থ।’ ‘সাইফের ব্যাপারে ফিজিও এখনও আমাদের বলেননি যে এটি বড় কোনো ইনজুরি। অনেক সময় খেলার পর যে একটু জড়তা আসে, সেটা আছে। এটা বড় কিছু কিনা এখনও জানি না। ওর দেখভাল করছেন ফিজিও। আজকে ফিজিও দেখে ওর অবস্থা আমাদের জানাবেন। এরপর বোঝা যাবে।’

এদিকে, মোসাদ্দেক পরে অনুশীলনে বোলিংও করেছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাকে পাওয়া নিয়ে তাই আর সংশয় নেই।