বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে প্রতিপক্ষের বাধা!

বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে অন্য প্রতিপক্ষের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। তবে নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ হারার কারণে সেমিতে ওঠতে কিছু বাধা তৈরি হয়েছে। এরপর গত ১১জুন ব্রিস্টলে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বাংলাদশের। টানা দুই ম্যাচ হারার কারণে ওই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

কিন্তু বাংলাদেশ দলের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়িয়ে ছিলো বৃষ্টি। ফলে ম্যাচ পরিত্যাক্ত। ২ পয়েন্টে পাওয়া আশা গুড়েবালি হয়। বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ১৭ জুন। টনটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হওয়ার কথা বাংলাদেশের। কিন্তু এখানেও বৃষ্টির হানা। ফলে বাংলাদেশের এখন প্রধাণ প্রতিপক্ষ হচ্ছে বৃষ্টি। ম্যাচ শুরু আগেই এই প্রতিপক্ষ বাধার মুখে পড়ে টিম টাইগার।

সামারসেট কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এখন টাইগারদের অনুশীলন চলছে। গত বুধবার টনটনে আসার পর শুক্রবারই প্রথম অনুশীলন করল দল। আর এ দিন অবশ্য ছিল ঐচ্ছিক অনুশীলন। যে কারণে মাঠে আসেননি সাকিব আল হাসান, রুবেল হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেন।

দুই দিন বিশ্রামের পর বাকিরা মাঠে আসেন। আবহাওয়া খুব উপযোগী না থাকলেও তাই মাঠ ছাড়েনি দল। আর ফিল্ডিং অনুশীলন চলল টিপটিপ বৃষ্টির মধ্যেই। এ দিন স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলেছেন ও শিখিয়েছেন মুশফিকুর রহিম, সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিঠুন। বৃষ্টির কারণে সেই আয়োজনও ছিল ইনডোরে।

আইসিসি ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে ‘ওয়ান ডে ফর ক্রিকেট’ প্রোগ্রামের আওতায় ছিল ‘কমিউনিটি ক্রিকেট ক্লিনিক’ আয়োজন।

ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন করতে পারা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির চোখ রাঙানির মধ্যে নেট সেশনও শেষ পর্যন্ত হলো কিছুটা। দুই দিনের ছুটি শেষে ব্যাটিং অনুশীলনের জন্য মরিয়া ছিলেন তামিম ইকবাল। বৃষ্টি থেমে যেতেই তিনি ছুটলেন ড্রেসিং রুমে, প্রস্তুত হয়ে সোজা নেটে। আবার বৃষ্টি আসার আগে যতটা ব্যাট করা যায়। শনি ও রোববারের সূচিতে আছে গোটা দলের অনুশীলন।

কিন্তু এই দুই দিনও আছে বৃষ্টির শঙ্কা। সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের দিন অবশ্য বৃষ্টির শঙ্কা খুব বেশি নেই এখনও পর্যন্ত। তবে ইংল্যান্ডের আবহাওয়া, শেষ কথা বলে কিছু নেই!