মুখোমুখি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা, পরিসংখ্যানে এগিয়ে যারা

আজ বিশ্বকাপে (মঙ্গলবার) ১৬ ম্যাচে মুখোমুখি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। বৃষ্টির কারণে আরও একটি পরিত্যক্ত ম্যাচের শঙ্কা মাথায় নিয়েই ব্রিস্টলের কাউন্টি গ্রাউন্ডে এশিয়ার এই দুই দেশ। এখন পর্যন্ত এবারের বিশ্বকাপে সমান তিনটি ম্যাচ খেলে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত ৩ ম্যাচ খেলে ১টি করে জয়, পরাজয় ও পরিত্যক্ত ম্যাচের দেখা পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। সমান ম্যাচে ২ পরাজয়ের বিপরীতে ১টিতে জিতেছে বাংলাদেশ।

এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিসংখ্যান ইতিবাচক নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। সবমিলিয়ে লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩৬ পরাজয়ের বিপরীতে জয় পেয়েছে মাত্র ৭টি। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে ৭ ম্যাচ খেলে সমান ৩টি করে জয় দুই দলের, পরিত্যক্ত হয়েছে একটি ম্যাচ।

দুই দলের পরিসংখ্যান:

চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি এ দুইদল। এর আগে (২০০৩, ২০০৭ ও ২০১৫) শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে কখনোই ইংল্যান্ডের মাটিতে মুখোমুখি হয়নি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। ব্রিস্টলের মাঠে ২ ওয়ানডে খেলে জয়ের দেখা পায়নি লঙ্কানরা।

তবে এ মাঠে ২০১০ সালে নিজেদের একমাত্র ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সর্বশেষ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে ১২১ রান করেছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপের মঞ্চে যা বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছিল ১২৮* রানের ইনিংস।

চলতি বিশ্বকাপে টানা তিন পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংসসহ এখনো পর্যন্ত টানা ৪টি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলেছেন সাকিব। বাংলাদেশের পক্ষে একটানা ৫ ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলার রেকর্ড রয়েছে তামিম ইকবালের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি মোস্তাফিজুর রহমানের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ হতে যাচ্ছে।

এখনো পর্যন্ত ৪৯ ম্যাচে ২৩.৪০ গড়ে ৮৭ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। এর মধ্যে লঙ্কানদের বিপক্ষে ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট রয়েছে মোস্তাফিজের। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসে লঙ্কানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে খেলার রেকর্ড মুশফিকুর রহীমের দখলে। গত বছরের এশিয়া কাপে তিনি খেলেছিলেন ১৪৪ রানের অনবদ্য ইনিংস। তবে সবমিলিয়ে লঙ্কানদের ২৫ ইনিংসে মাত্র ২ ফিফটি ও ১টি সেঞ্চুরিই রয়েছে তার।

বিশ্বকাপের আজকের ম্যাচে অনিশ্চিত সাকিব। আর মাত্র ২৩ রান করলেই দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬০০০ রানের মালিক হবেন বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক।