রশিদ খানকে ধুয়ে দিলেন গুলবাদিন নাইব

বাংলাদেশে বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বেশ হাঁক-ডাক দিয়ে নিজের এগিয়ে থাকার কথা জানিয়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু মাঠে ছিল তার উল্টো চিত্র। বাংলাদেশকে ২৬২ রানে আটকে দিলো বাংলাদেশের আটসাটো বোলিংয়ে ২০০ অল আউট হয় তারা। আর এমন হারের জন্য রশিদ খানকে দায়ী করেন আফগান অধিনায়ক।

কারণ রশিদ খানের উপর ছিল পাহাড়সমান প্রত্যাশা। সে র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হয়েছিলেন একবার। ব্যাটে-বলে রশিদ এবারের বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে দেবেন, এমনটাই আশা করেছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল উল্টো চিত্র। ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং-দলকে জেতানোর মতো কিছুই করতে পারেননি রশিদ খান। তার আসল কাজ বোলিং। এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানের হয়ে বিশ্বকাপে ৭টি ম্যাচ খেলে উইকেট পেয়েছেন মাত্র ৪টি।

বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন উইকেট পায়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ ওভারেই ১১০ রান দিয়ে বিশ্বকাপের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন। অলরাউন্ডার পরিচয় থাকলেও ৭ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৮৮ রান। নেই কোন ফিফটি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে তো ফিল্ডিংয়েও হাত ফসকে বেশ কয়েকটি রান দিয়েছেন। সবমিলিয়ে রশিদের পারফরম্যান্সে বেশ হতাশ আফগানিস্তান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব।

রশিদকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘সে তার শতভাগ দিচ্ছে। কিন্তু যদি ফিল্ডিংয়ের দিকে তাকান, আমি কিছুটা হতাশ। সে নিজেও ফিল্ডিং নিয়ে হতাশ। মাঠে তো তাকে একবার বেশ রাগান্বিতও দেখাচ্ছিল। আমি তাকে বলেছি, নির্ভার থেকে বোলিংয়ে মনোযোগ দিতে। কিন্তু সে বোধ হয় ফিল্ডিংয়ের জন্যই এই ম্যাচে ছন্দ হারিয়ে ফেলে।’

অবশ্য শুধু রশিদ নন, বাংলাদেশের বিপক্ষে হারের জন্য পুরো দলের বাজে ফিল্ডিংকে দায়ী করেছেন নাইব। তার মতে, ক্যাচ ড্রপ আর খারাপ ফিল্ডিংয়ে কমপক্ষে ৩৫টি রান বেশি দিয়েছে তার দল।

আফগান দলপতি বলেন, ‘আমি টস নিয়ে খুশি। যদি আপনি ম্যাচের দিকে তাকান, দেখবেন কয়েকটি ক্যাচ মিস হয়েছে এবং বাড়তি কিছু রানও দিয়েছি আমরা। মিস ফিল্ডিংয়ের কারণে আমরা ৩০-৩৫ রান বেশি দিয়েছি। প্রথম দশ ওভারে আমরা বোলিংটাও ঠিকমতো করতে পারিনি।’