ভারতের ব্যাটিংয়ের পার্থক্য দেখা গেল স্পষ্ট

বিশ্বকাপে ভারত নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। এই ম্যাচে ভারত প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৩৫২ রান করেছিল। মিশেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, কোল্টার নাইল, স্টোইনিসদের মত বোলারদের বিপক্ষে এই রান করা চাট্টিখানি কথা নয়।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এই ম্যাচে ৪০ ওভার শেষে ভারতের রান ছিল ২৩৬ রান। সেখান থেকে পরের ১০ ওভারে ভারত করে ১১৬ রান। সেই ১০ ওভারের সময় ব্যাটিং করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ধোনি সেদিন ১৪ বলে ২৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। হার্ডিক পান্ডিয়া সেদিন ২৭ বলে করেন ৪৮ রান। কোহলিও তখন ক্রিজে ছিলেন। করেছিলেন ৭৭ বলে ৮২ রান।

শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ৪০ ওভার শেষে ভারতের রান ছিল ২৪৮। সেখান থেকে তাদের গিয়ে দাড়ায় ৫০ ওভার শেষে ৩৩৬ রান। শেষ ১০ ওভারে তাদের রান আসে ৮৮ রান।

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪০ ওভার শেষে একই অবস্থানে থাকার পরও দেখা গেল ভিন্ন রুপ। এবার যেন ধোনির ব্যাট চালাতে খুব অনিহা। কেদার যাদব যেন নেমেছে ব্যাটিং প্র্যাক্টিস করতে।

৪০ ওভার শেষে ভারতের রান ৪ উইকেটে ২৩৪। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারের ভারতের প্রয়োজন মাত্র ১০৪ রান।

ভারতের জন্য প্রয়োজন ১০৪ রান। হাতে আছে ১০ টি ওভার এবং ৬টি উইকেট। এরমধ্যে তখন ক্রিজে আছেন ধোনি ও হার্ডিক পান্ডিয়া। ধোনি মারলেন ২-১টা বাউন্ডারি। কেদার যাদব তো খেলল টেষ্ট ম্যাচ। শেষ ১০ ওভারে আসল মাত্র ৭২ রান। ভারত শেষ কবে শেষ দিকে রান তাড়া করতে নেমে এভাবে খেলেছে সেটাই হয়তো অনেকে মনে করতে পারবে না।