ভয় দেখিয়ে বিয়ে করেছিলেন যুবদল নেতার স্ত্রীকে; বেড়িয়ে আসছে গোপন খবর

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দুই সন্তানের জননীকে থানায় আটকে রেখে পিটিয়ে আহত করা সেই এএসআই শাহানুর রহমানের একের পর এক অপকর্মের খবর বেড়িয়ে আসতে শুরু করেছে। বেড়িয়ে এসেছে তার আরও অনৈতিক কাজের খবর।

বগুড়ার ধুনটে এই পুলিশ কর্মকর্তা ভয় দেখিয়ে এক সন্তানের জননী এক যুবদল নেতার স্ত্রীকেও বিয়ে করেছিলেন। এমনকি সেই বিয়ের বিচ্ছেদও ঘটে গেছে এরই মধ্যে।

তবে শুধু মাত্র এখানেই শেষ নয়, এই পুলিশ সদস্যের বাড়িতে অজ্ঞাত নারীদের অবাদ যাতায়াত ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় জনগন। কিন্তু সবাই তার অপকর্ম সম্পর্কে জানলেও পুলিশ সদস্য হওয়ায় কেউ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করেনি।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৩ জুন মারা যান ধুনট পৌর যুবদল নেতা মশিউর রহমান পলাশ। রাজনৈতিক কারণে পলাশের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা বিচারাধীন থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সেই দায়িত্ব দেয়া হয় এএসআই শাহানুরকে।

সেই সুযোগে পলাশের স্ত্রী এক সন্তানের মা শাপলা খাতুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন শাহানুর। নিজের স্ত্রী ও সন্তানের কথা গোপন রেখে শাহানুর গত ৫ জানুয়ারি শাপলাকে বিয়ে করেন। গোপনে শাপলার বাড়িতে যাতায়াতের একপর্যায়ে গত ৭ জুলাই তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়।

এসব নিয়ে শাপলা একটি দৈনিককে বলেন, মৃত স্বামীর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঝামেলা মেটাতে শাহানুরের সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনি ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তার স্ত্রী-সন্তান থাকার পরও এ তথ্য গোপন রেখে ২ লাখ টাকার মোহরানায় আমাকে বিয়ে করে।

তিনি আরও বলেন, বিয়ের পর তার স্ত্রী সবকিছু ফোনে আমাকে খুলে বললে আমি তার সাথে বিচ্ছেদ ঘটাই। বিচ্ছেদের সময় সে আমাকে ৩ লাখ টাকা দেয়।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা শাহানুর রহমান বলেন, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শাপলাকে বিয়ে করেছিলাম। পরে তার সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ করেছে।