অস্ট্রেলিয়ার পাচার করা সমস্যা সামলাতে আমরা ক্লান্তঃ জাসিন্দা

প্রতিবেশী দেশ (অস্ট্রেলিয়ার) পাচার করা সমস্যা মোকাবেলায় নিউজিল্যান্ড ক্লান্ত বলেও মন্তব্য করেন জাসিন্দা আর্ডার্ন। তিনি বলেন, ওই নারীর দায়িত্ব নিউজিল্যান্ড নেবে, ক্যানবেরার এমন ধারণা ভুল। তার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা বলেন, অভিযুক্ত নারীর নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া একতরফাভাবে তার নাগরিকত্ব বাতিল করে দিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি ও আল জাজিরার এমন খবর দিয়েছে।

গতকাল সোমবার তুর্কিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৬ বছর বয়সী ওই নারী আইএসের সন্ত্রাসী ছিল। সিরিয়া থেকে অবৈধভাবে তুরস্কে ঢোকার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়েছে।

আর্ডার্ন বলেন, ওই নারীকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির দায় ওয়েলিংটনের নেওয়া ভুল হবে। কারণ তিনি নিউজিল্যান্ডে বসবাস করতেন না। তার বয়স যখন ছয় বছর, তখন থেকেই তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতেন। ওই নারীর পরিবারও অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকেই সিরিয়ায় পাড়ি জমান। এমনকি তার পাসপোর্ট ছিল অস্ট্রেলিয়ার।

আর্ডার্নের বিবৃতির জবাবে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, আমার কাজ হচ্ছে, সবার আগে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করা। আমাদের পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া দ্বৈত নাগরিকের নাগরিকত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। অস্ট্রেলিয়ায় এটি একটি পরিচিত আইন। তবে এ ইস্যুতে আর্ডার্নের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।