টুইট করে, ক্রিকেট ঈশ্বর থেকে ভিলেন হলেন শচীন

কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে বলা হয় ভারতের ক্রিকেট ঈশ্বর। কোটি কোটি ভারতীয়রা শচিনকে ঈশ্বরের মতোই শ্রদ্ধা করে।

গত মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যাবেলা ‘ঐক্যবদ্ধ ভারত’ বিষয়ে টুইট করে বিপদে পড়ে গেছেন ক্রিকেট ঈশ্বর খ্যাত শচীন টেন্ডুলকার। একই কারণে বিতর্কের শিকার হয়েছেন কোহলিও। কেউ কেউ রাগে শচীনের শেষ টেস্টের ছেঁড়া টিকিটের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি আগে শচীনের ভক্ত ছিলাম। আজ থেকে সব শ্রদ্ধা হারালাম।

ভারতে দীর্ঘদিন কৃষক বিদ্রোহ ধরে চলছে। এর মাঝে টুইটারে শচীন টেন্ডুলকার লিখেছিলেন, ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে আপস করা যায় না। বাইরের লোকজন দর্শক হতে পারে, তবে অংশ নিতে পারে না। ভারতীয়রা ভারতকে জানে এবং ভারতের পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। আসুন আমরা জাতি হিসাবে ঐক্যবদ্ধ থাকি’। শচীনের এই টুইটটি রিটুইট করেন সৌরভ গাঙ্গুলী। মনে করা হচ্ছে, কৃষকদের পক্ষে রিহানা, গ্রেটা থুনবার্গ, মিয়া খলিফারা সরব হতেই শচীনরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশে দাঁড়িয়েছেন।

শচীনের টুইটে ক্ষোভ ছাড়ছেন ভক্তরা। কেউ লিখছেন, আপনি আগে কথা বললে রিহানাদের বলতে হতো না। কেউ আবার নরেন্দ্র মোদীর ওয়াশিংটনের ঘটনার সম্পর্কের টুইট তুলে ধরে লিখেছেন, এই সময়ে বাইরের লোক কথা বলেনি অন্য দেশের বিষয়ে।

শচীনের উদ্দেশে এক সোশ্যাল সাইট ব্যবহারকারী লেখেন, টুইট করার আগে ক্রিকেটের ভগবান ছিলেন, টুইট করার পর অম্বানির কুকুর। শচীনকে শচীনই আউট করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন এক সোশ্যাল সাইট ব্যবহারকারী। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে শচীন ১৯৪ রানে ব্যাট করার সময় ডিক্লেয়ার ঘোষণা করেন রাহুল দ্রাবিড়।

শচীনের এই টুইটের পর রাহুলের সেই সিদ্ধান্তকে সামনে এনে একজন লিখেছেন, আজ মনে হচ্ছে, সেদিন রাহুল ঠিক করেছিল। বিদেশিরা যখন কৃষক আন্দোলন নিয়ে কথা বলেছেন, কারণ শচীনরা সেই সময় চুপ ছিলেন। আর এখন তারা সরকারের পক্ষ নিয়েছেন।