ডিভোর্সের পরও পাসপোর্টে তামিমার স্বামী রাকিব

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ‘ব্যাড বয়’ খ্যাত নাসির হোসেন এবং তামিমা তাম্মির বিয়ের পর থেকেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসানকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে প্রথম অভিযোগ তোলেন রাকিব। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে আদালতে মামলাও করছেন তিনি।

এদিকে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বনানীতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে বিয়ে নিয়ে উদ্ভুত আলোচনা-সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা তাম্মি। ব্রিফিংয়ে নাসির ও তামিমা দাবি করেন, তারা দেশের আইন ও ধর্মীয় বিধান মেনে বিয়ে করেছেন। রাকিবের সঙ্গে তামিমার বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে। ২০১৬ সালে তামিমা ডিভোর্সের আবেদন করেন এবং ২০১৭ সালে ডিভোর্স হয়।

কিন্তু বিপত্তি বাধে অন্যখানে। সংবাদ সম্মেলনে তামিমা যে কাগজ উপস্থাপন করেছেন, তাতে দেখা যায় ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নিজে রাকিব হাসানকে ‘তালাক নোটিশ’ দিয়েছেন। অন্যদিকে নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে মামলার ডকেটে পাসপোর্টের যে নথি সংযুক্ত করেছেন রাকিবের আইনজীবী ইশরাত হাসান সেটিতে দেখা যায়, ২০১৮ সালে করা পাসপোর্ট ইস্যুতে স্বামীর ঘরে রাকিব হাসানের নাম ‘উল্লেখ’ করেছেন তামিমা। একই সঙ্গে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাকেও স্বামী রাকিব হাসানের নাম উল্লেখ রয়েছে।

২০১৮ সালের ৪ মার্চ পাসপোর্টটি প্রদান করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে এবং ২০২৩ সালের ৩ মার্চ এটির মেয়াদ শেষ হবে।

পাসপোর্টের ধরণ বলছে, এটি রি-ইস্যু করা। পাসপোর্টটির বর্তমান নম্বর বিআর দিয়ে শুরু হয়ে ৫৩ ডিজিট উল্লেখ করে শেষ হয়েছে। অন্যদিকে তার পুরাতন পাসপোর্টটি বিএ দিয়ে শুরু হয়ে ১১ ডিজিট উল্লেখ করে শেষ হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কোনটি সঠিক? ডিভোর্স পেপার না কি পাসপোর্ট?