মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে সু চির

ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে যোগাযোগ সরঞ্জাম আমদানি এবং ব্যবহারের অভিযোগে মামলা করেছে মিয়ানমার পুলিশ। এই মামলায় তার দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গতকাল বুধবার (০৩ ফেব্রয়ারি) সাক্ষী এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ, আরও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে বব্যস্থা গ্রহণে সু চিকে আটক রাখার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়।

আমদানি-রপ্তানি আইনে দায়ের হওয়া মামলায় সু চিকে ১৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন একটি আদালত। এনএলডির এক মুখপাত্র এ তথ্য জানান। মিয়ানমারের রাজধানীর একটি পুলিশ স্টেশনে দায়ের হওয়া মামলার নথি থেকে জানা যায়, নেপিডোতে সু চির বাসভবনে সেনা কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে ছিলেন। তল্লাশিকালে তাঁরা সু চির বাসভবনে একাধিক ওয়াকিটকি পান।

মামলার নথি অনুযায়ী, সু চির বাসভবনে পাওয়া ওয়াকিটকি অবৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে। সু চির দেহরক্ষীরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই এই ওয়াকিটকিগুলো ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবৈধভাবে আমদানি করা ওয়াকিটকি রাখার অভিযোগে সু চির বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)।

উই মিন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নির্বাচনী প্রচারের সময় মহামারিকালীন বিধিনিষেধ ভেঙেছেন। এই মামলায় উই মিন্তকে দুই সপ্তাহের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সু চি বর্তমানে রাজধানী নেপিডোয় নিজ বাসভবনে আটক আছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে সরকারি সূত্র এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি।

উল্লেখ্য, সু চিসহ মিয়ানমারের শীর্ষ নেতাদের আটকের ঘটনায় গতকাল দেশটির ৩০টি শহরের ৭০টি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা ধর্মঘট শুরু করেছেন। নাগরিক অসহযোগ আন্দোলনের ব্যানারে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।