কওমী মাদরাসার জামাতখানা বন্ধ হলেও হেফজখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রাখার দাবি

রামপুরা উলন রোডের জামেয়া ইসলামীয়া শায়খ জাকারিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফি বলেন, ইতিমধ্যে মাদরাসার জামাতখানার শিক্ষার্থীদের ছুটি দেয়া হয়েছে। আর দাওরায় হাদিস পরীক্ষা আগামীকাল বুধবার হওয়ার কথা ছিল তা আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

আব্দুর রব ইউসুফি বলেন, হেফজখথানায় যেসব শিক্ষার্থী রয়েছে তারা কেউ একবছর কেউ দু-তিন বছর ধরে কোরআন শরীফ মুখস্ত করছে। এ অবস্থায় তাদের ছুটি দিলে তারা ভুলে যাবে। এ কারণে স্বাস্থ্য বিধি মেনে তাদের মাদরাসায় রাখা যেতে পারে।

সরকারকে বিষয়টি অনুধাবনের আহবান জানিয়ে আব্দুর রব ইউসুফি আরও বলেন, একজন হাফেজ তৈরি হওয়ার পেছনে অনেক সময় প্রয়োজন। অর্ধেক কোরআন মুখস্ত করে পরে ভুলে গেলে সে আর কখনো হাফেজ হতে পারে না। সেক্ষেত্রে মাদরাসার হেফজখানা চালু রাখার দাবি জানান তিনি।

করোনার মধ্যে অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কওমি মাদরাসায় পাঠদান চলছিল। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ২২ মের পর খুলবে বলে ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এবার কওমি মাদরাসাও বন্ধ থাকার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত নির্দেশনার ১০ নম্বরে বলা হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদরাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্তের পর ১৮ মার্চ থেকে কওমি মাদরাসাসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলেও পরে কওমি মাদরাসাগুলো খুলে দেওয়া হয়।