শ্রাবন্তী বললেন, ক্লাবে ক্লাবে ফুর্তি বন্ধ করব

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতার বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে লড়ছেন নায়িকা শ্রাবন্তী। গত মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ঝাঁঝালো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে শ্রাবন্তী লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গকে দুর্নীতি, তোলাবাজিমুক্ত করে, বেহালা পশ্চিমে শুধু ক্লাবে ক্লাবে ফুর্তি করার দান-খয়রাতি নয়, সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে সোনার বাংলার সংকল্প নিয়ে বেহালা পশ্চিমে সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে দাঁড়ানোর শপথ নিয়ে আজ মনোনয়নপত্র জমা দিলাম।’

তার এই পোস্টে লাইকের সংখ্যা ১৭ হাজারেরও বেশি। লাইক দিয়েছেন বিরোধী পক্ষের রাজনীতিবিদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, কৌশানী মুখার্জিরা। প্রথম দুজন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য। কৌশানী আগামী নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রার্থী।

শাসকদলের পরোক্ষ সমালোচনা, আর সেখানে ‘লাইক’ দিচ্ছেন তাদেরই নেতারা? বিষয়টি যথেষ্ট অবাক করেছে সবাইকে।

একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে দেখা যেত শ্রাবন্তীকে। তার এই পরিবর্তনে সমর্থন জানিয়েছেন নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈনও। তবে পশ্চিমবঙ্গের এই রাজনৈতিক বিরোধিতা শুধু রাজনীতির মাঠেই সীমাবদ্ধ। পেশাগত দিক দিয়ে কোনো প্রভাব পড়েনি। প্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক দলে নাম লেখানোর পর থেকেই এ কথা জানিয়েছিলেন উভয় দলের তারকা প্রার্থীরা। সেই অবস্থান থেকেই যশ দাশগুপ্তকে অনলাইনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারকা সংসদ সদস্য দেব। মিমি ছুটি কাটিয়ে এসেছেন বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রের সঙ্গে।