দল থেকে বাদ পড়লাম আর করোনা শুরুঃ সাব্বির রহমান

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য সাব্বির মূলতঃ ব্যাটসম্যান। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ও লিস্ট এ ক্রিকেটে তিনি রাজশাহী বিভাগের হয়ে খেলে থাকেন। তাকে বলা হতো বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের একমাত্র স্পেশালিস্ট। টাইগার ক্রিকেটে ফ্রি-স্ট্রোক খেলার দক্ষতা যে কয়জন হাতে গোনা ব্যাটসম্যান আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম। ব্যাটিং স্টাইলও দুর্দান্ত, যাকে একসময় তুলনা করক হতো বিরাট কোহলির সাথে; কিন্তু সেই ক্রিকেটার এখন জাতীয় দলের একদম বাইরে। হ্যা, বলছি সাব্বির রহমান রুম্মনের কথা।

২৮ বছর বয়সী এই টাইগার ক্রিকেটারের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন নেই কারোরই। তবে মাঝে শৃঙ্খলা ভঙ্গ আর মাঠের বাইরের নানা অঘটনের সাথে জড়িত হওয়ায় ক্যারিয়ার হঠাৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গেছে। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সাব্বির রহমান।

সাব্বির বলেন, জাতীয় দলে না থাকা অবশ্যই খারাপ লাগে। মনে হলে ইমোশনাল হয়ে যাই। অন্যরকম খারাপ লাগায় আচ্ছন্ন হয় মন। তবে আমি ব্যাপারটাকে একটু অন্যভাবে দেখতে চাই। এই দলের বাইরে থাকা এবং হতাশ না হয়ে ভিতরে দুঃখবোধ জাগ্রত করার চেয়ে এটাকে এক নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি আমি।

সাব্বির আরও বলেন, এ চ্যালেঞ্জ আবার দলে ফেরার। সাধারণতঃ যারা ন্যাশনাল টিম থেকে বাদ পড়ে, তারা ডমিস্টিকে একটু ভাল পারফর্ম করেই আবার দলে ফেরে; কিন্তু আমার কপালটা একটু খারাপ যে, আমিও জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লাম, করোনার প্রকোপও শুরু হলো। করোনার ভয়াবহতায় ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধ। এনসিএল শুরু হয়েই দুই রাউন্ড পর বন্ধ। প্রিমিয়ার লিগ হচ্ছে না। বিপিএলও হয়নি। কাজেই ফেরার সব প্লাটফর্ম বন্ধ। আশায় আছি, ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু হলে নিজেকে মেলে ধরবো। ইনশাল্লাহ ভাল খেলে আবার কামব্যাক করবো। এটাই আমার প্ল্যান।

করোনার কারণে ঘরোয়া ও সব খেলা বন্ধ থাকা নিয়ে সাব্বির বলেন, আসলে করোনার এ মহামারি তো গত দু-বছর ধরেই চলছে। গত রোজাতেও ছিল। কবে যাবে আল্লাহই জানেন। এর মধ্যে মাঝখানে কিছু খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। এখন আবার করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় খেলা, প্র্যাকটিস সব বন্ধ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে সাব্বির ৬৬ টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ, ৪৪ টি টি-টোয়েন্টি ও ১১ টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন।