খুলনায় ১১ পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে ৫ গ্রাম প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে কয়রায় ১১ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২৬ মে) দুপুরের প্রবল জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ শুরু করে। এতে ডুবে গেছে মাছের ঘের ও ফসলি জমি।

কয়রার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার সভাপতি মো. আবু সাঈদ খান জানান, কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা এলাকার শ্রীপদ মণ্ডলের বাড়ির সামনে ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ দুপুরের জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। পূর্ণিমার প্রভাবে কপোতাক্ষ নদের পানি বেড়ে বেড়িবাঁধ উপচেও অনেক স্থানে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। এতে আংটিহারা ও খাশিটানা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।এ নিয়ে এলাকার হাজারো মানুষ আতঙ্কে আছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বার বার বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হলেও টেকসই বাঁধ নির্মাণে কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। কখনো কখনো দায়সারা কাজ হয়েছে। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা মানুষের কষ্টের কথা কখনোই বিবেচনায় নেয়নি। যে কারণে আম্পানের এক বছর পার হতে না হতেই আবার ইয়াসের প্রভাবে পানিতে ডুবতে হচ্ছে।

খুলনা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তবে, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে বৃষ্টিপাত কমতে পারে বলে তিনি জানান।

এদিকে, খুলনা জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, মোট এক হাজার ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১১৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।