ফিলিস্তিনের গাজা পুননির্মাণে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস বাইডেনের

দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া ফিলিস্তিনের গাজা পুননির্মাণে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

একইসঙ্গে গাজায় শান্তি ফেরাতে ‘নীরবে’ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পুননির্মাণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহযোগীতার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের পাশাপাশি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই এই সংঘর্ষ সমাধানের একমাত্র উপায়।

বাইডেন বলেন, তিনি ইসরায়েলকে হামাসের সঙ্গে চলমান লড়াই বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। ২০ মে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুকে করা ফোনে বাইডেন বলেছেন, পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেরুজালেমে বসবাস করা ফিলিস্তিনি নাগরিকদের অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং গাজায় দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে হবে।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে তার প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার কোনো পরিবর্তন হবে না। যতদিন না পর্যন্ত এই অঞ্চলে দ্ব্যর্থহীনভাবে ইসরায়েলের স্বীকৃতি মেনে নেয়া না হবে ততদিন পর্যন্ত শান্তি আসবে না। আমাদের দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানকেই বেছে নিতে হবে। এটি একমাত্র উপায়।’

এদিকে দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক প্রক্রিয়ায় একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, জেরুজালেম হবে উভয় দেশেরই রাজধানী। দশকব্যাপী আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক প্রক্রিয়া দুই দেশের সংঘর্ষ বন্ধের একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখা হলেও এটি অর্জন করার এতটুকু লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করা যায় নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করলেও এটিকে ইসরায়েল-পন্থী ও ফিলিস্তিনিদের অগ্রাহ্য করার প্রকল্প হিসেবে দেখে আন্তর্জাতিক মহল। তার এই পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনের সীমাবদ্ধ সার্বভৌমত্বের কথা বলা হয় এবং সেই সঙ্গে আরো বলা হয়, ইসরায়েল এই দুই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। ফিলিস্তিনের নেতারা কঠোরভাবে এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেন।