শিকারির হাত থেকে ৩ হাজার পাখি অবমুক্ত করলো স্থানীয়রা

চরের ভেতর শিকারিরা প্রায় তিন হাজার পাখি ধরে খাঁচায় আটকে রেখেছিল। পরে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পাখিগুলো অবমুক্ত করে। এ সময় পালিয়ে যায় শিকারিরা। ঘটনাটি ঘটেছে মুন্সীগঞ্জে।

এতে নেতৃত্ব দেন জেলার শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়নের যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সৈকত খান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল মঙ্গলবার পাখি অবমুক্তকরণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। এ ব্যাপারে সৈকত খান বলেন, আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে সোমবার দুপুরের দিকে বাড়ির পাশের রাঢ়িখাল এলাকার পদ্মা নদীতে গোসল করতে যাই। এ সময় নদীর পাশে চরের মধ্যে আমরা পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতে পাই।

বিষয়টি সম্পর্কে কৌতূহল জাগে। এ জন্য আমরা এগিয়ে যাই। গিয়ে দেখি একটি কুঁড়েঘরের মধ্যে ওই পাখিগুলো খাঁচায় বন্দী। এ সময় সেখানে তিন শিকারিও ছিল। আমরা তাদের পাখি ধরার কারণ জানতে চাইতেই তারা পালিয়ে যায়। পরে জাল দিয়ে আটকানো প্রায় ৩ হাজার পাখি আমরা অবমুক্ত করি, বলেন তিনি।

যুবলীগের ওই নেতা আরো বলেন, পদ্মার চরে এখন ধান পেকেছে। পাকা ধান খেতে এ সময় মুনিয়া জাতের পাখি চরে আসে। শিকারিরা এই সুযোগে জাল দিয়ে পাখিগুলোকে ধরে আটকে রাখে। এ সময় পাশের জমিতে পাখি ধরার বেশ কিছু জাল পেয়েছি আমরা। পরে সেগুলোও পুড়িয়ে ফেলা হয়।