সড়ক তৈরি শিখতে সোয়া তিন কোটি টাকার আবদার

করোনাভাইরাস মহামারীতেও সড়ক তৈরি শিখতে তিন কোটি ২৫ লাখ টাকার প্রস্তাব করেছিলো স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)। একটি প্রকল্পের আওতায় এই প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছিল পরিকল্পনা কমিশনে। তবে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ মে) ‘ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের ওপর পরিকল্পনা কমিশনে কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২০ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন জানায়, প্রকল্পের উদ্দেশ্যসমূহ যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রকল্পের উদ্দেশ্যসমূহ সুনির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য, অর্জনযোগ্য, বাস্তবভিত্তিক এবং সময়ভিত্তিক হয়নি। অর্থাৎ স্মার্ট আকারে ডিপিপিতে লিপিবদ্ধসহ লগ – ফ্রেমটিকে সঠিকভাবে পুনর্গঠন করার বিষয়ে এলজিইডিকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

গণমাধ্যমকে কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্মপ্রধান রবীন্দ্রনাথ বর্ম্মন বলেন, প্রকল্পের পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়য়ন কমিটি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বাবদ যে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছিল তা বাতিল করতে বলেছি। আমরা বিশেষভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা এখন একটা দুর্যোগ সময় পার করছি। এখন আমাদের অর্থের প্রয়োজন । করোনা সংকট মোকাবিলায় স্বাস্থ্যখাতে অর্থের প্রয়োজন। এমন সময় বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণ খাতে অর্থের প্রয়োজন নেই বলে আমরা মনে করি। এই জন্য এ খাতে অর্থ বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা সকল প্রকল্পেই বৈদেশিক প্রশিক্ষণ খাত নিরুৎসাহিত করছি।

প্রকল্পের আওতায় চার লেন সড়কের যৌক্তিকতা জানতে চাইলে এলজিইডির পক্ষ হতে জানানো হয়, কেরাণীগঞ্জের অধিকাংশ এলাকা অত্যন্ত জনবহুল। তাছাড়া প্রকল্প এলাকায় কিছু সড়ক উন্নয়ন করা হলে তা আন্তঃজেলা বাস চলাচলের উপযোগী হবে এবং নতুন বাইপাস রুট তৈরি হবে।