অক্সিজেন সংকটে রামেক হাসপাতাল, কিট না থাকায় বন্ধ করোনা টেস্ট

করোনাভাইরাসের মৃত্যু থাবা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কেহই। কিছু মানুষের স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলায় দিন দিন আরও ভয়ংকর হচ্ছে করোনা। এতে বাড়ছে সংক্রমন ও মৃত্যু ঝুকি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি বছরের মার্চ থেকে শুরু হয় অক্সিজেন চাহিদা। প্রথমে দুই হাজার লিটার অক্সিজেন লাগলেও এখন লাগছে আট হাজার লিটার।

করোনার উচ্চ সংক্রমণ প্রবণ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের শনাক্ত হয় মে মাসে। আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে বার বার সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহই কর্তৃপক্ষের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রামেক হাসপাতালের কোভিড রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় চাহিদা বাড়ে অক্সিজেনের। এ অবস্থায় করোনা আক্রান্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, আগত রোগীদের প্রায় সবাইকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। তাই অক্সিজেন সরবরাহই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সংক্রমণের মাত্রা না কমায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, যেসব রোগীর অক্সিজেন স্যাচুয়েশন আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে তাদের প্রতি দেড় ঘণ্টার জন্য এক সিলিন্ডার অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। এই হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র একজন রোগীর জন্য ১৬টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দরকার হচ্ছে। এটা বেশ ব্যয়বহুল আবার অক্সিজেন সিলিন্ডার ম্যানেজ করাও কঠিন। মেডিকেলে আসা আক্রান্তদের ৯৯ ভাগেরই অক্সিজেন সাপোর্ট দরকার হচ্ছে। প্রথমদিকে সিলিন্ডারের অক্সিজেন দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, সিলিন্ডারে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা নিয়ে।