পরাজয় মেনে নিতে না পেরে ইতালিয়দের উপর ইংল্যান্ড সমর্থকদের হামলা

সেইফাইনালের মত ইউরো-২০২০ ফাইনালেএ নিষ্পত্তি জলো টাইব্রেকারে। আর সেখানে আবারো ইতালির জয়। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের সমস্ত স্বপ্ন চূর্ণ হলো টাইব্রেকারে ৫৩ বছর পর আবারও (দ্বিতীয়বার) ইউরোর শিরোপা উঠলো ইতালির হাতে। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙ্গে শেষ হাসি হাসে ইতালি।

রবিবার রাত ১টায় লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে গ্যালারিপূর্ণ দর্শক নিয়ে ইউরোর ফাইনালে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও ইতালি। পরাজয় মেনে নিতে না পেরে ইতালিয়দের উপর হামলা চালায় ইংল্যান্ড সমর্থকরা।

ইংল্যান্ডের ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই লন্ডনজুড়ে গত কয়েকদিন ধ্বনিত হয়েছে ‘ইটস কামিং হোম’। ফাইনালের দিনও হাজার হাজার থ্রি লায়ন্স সমর্থক মাঠের বাইরে দলকে সমর্থন দিয়েছে। তবে তাদের এ সমর্থন কলঙ্কিত করেছে ইংলিশ ফুটবলকে।

ফাইনালের রাতে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মদ্যপ। যারা রাস্তায় ও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের গেটগুলোতে তাণ্ডব চালিয়েছে। এর আগে টিকিট না থাকার পরেও মাঠে ঢুকতে জোরজবরদস্তি করেছে তারা। পুলিশের বাধায় পড়ে ক্ষেপে যায় ইংলিশরা। পুলিশকে হটিয়ে জোরপূর্বক স্টেডিয়ামে ঢোকার চেষ্টা করে। পরে সেটিও না পারলে বিয়ারের বোতল ছুড়ে মারেন পুলিশের ওপর।

স্টেডিয়ামে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ মাঠে নামে। মদ্যপ ও বিশৃঙ্খল জনতাকে বাগে আনতে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনীর। পরে অবশ্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ফাইনালে যারা টিকিট পাননি তাদের জন্য বড় স্ক্রিনে খেলা উপভোগের সব ব্যবস্থাই করে রেখেছিল লন্ডন প্রশাসন। স্টেডিয়ামের পাশেই লেস্টার স্কোয়ারে বানানো হয়েছিল ফ্যানজোন। আর সেই ফ্যানজোনে গিয়েও মদ্যপ সমর্থকরা তাণ্ডব চালিয়ে সব ভেঙে চূরমার করে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ফ্যানজোন।