সাদমান-শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, টার্গেট ৪৭৭

হারারেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ৪৭৬ রানের বিশাল লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। জিততে হলে ৪৭৭ রান করতে হবে জিম্বাবুয়েকে।

প্রথম ইনিংসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অপরাজিত দেড়শ, লিটন দাসের ৯৫, তাসকিন আহমেদের ৭৫ ও অধিনায়ক মুমিনুল হকের ৭০ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৬৮ রান জড়ো করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসানের বোলিং তোপে অলআউট হয় ২৭৬ রানে।

২৩৭ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিন ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে সাদমান ইসলাম পূর্ণ করেন অর্ধশতক, যদিও সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (৯৫ বলে ৪৩ রান)। লাঞ্চ বিরতির পর সাদমানের সাথে দলের হাল ধরেন শান্ত।

দেখেশুনে খেলতে থাকা সাদমান নিজের খোলস ছেড়ে বের হননি। তার সাবধানী ব্যাটিংই এনে দেয় ক্যারিয়ারের প্রথম শতক। সাদমানের শতক পূর্ণের পর আরও মারকুটে ব্যাটিং শুরু করেন ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালানো শান্ত। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন বাউন্ডারির ফুলঝুরিতে।

শেষপর্যন্ত সাদমান ও শান্ত দুইজনই ১১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৯৬ বলের মোকাবেলায় সাদমান হাঁকান ৯টি চার। মাত্র ১১৮ বল খেলে শান্ত হাঁকান ৫টি চার ও ৬টি ছক্কা। ৬৭.৪ ওভার ব্যাট করা বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান নিয়ে তাদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (৪র্থ দিন, ২য় সেশন)

বাংলাদেশ স্কোরঃ ৪৬৮/১০ (১ম ইনিংস- ১২৬ ওভার)
রিয়াদ ১৫০*, লিটন ৯৫, তাসকিন ৭৫, মুমিনুল ৭০, সাদমান ২৩, মুশফিক ১১, সাকিব ৩, শান্ত ২, সাইফ ০;
মুজারাবানি ৪/৯৪, তিরিপানো ২/৫৮।

জিম্বাবুয়ে স্কোরঃ ২৭৬/১০ (১১১.৫ ওভার)
কাইটানো ৮৭, টেইলর ৮১, শুম্বা ৪১, চাকাবভা ৩১*, মেয়ার্স ২৭;
মিরাজ ৫/৮২, সাকিব ৪/৮২।

বাংলাদেশ স্কোরঃ ২৮৪/১ (৬৭.৪ ওভার)
সাদমান ১১৫*, শান্ত ১১৫*, সাইফ ৪৩;
গারাভা ১/৩৬

বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ৪৭৭ রান।