হিজড়াদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল পুলিশ

হিজড়া জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ হলেও আবহমান কাল থেকে এ জনগোষ্ঠী অবহেলিত ও অনগ্রসর গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। হিজরা বলতে রূপান্তরকামী বা রূপান্তরিত লিঙ্গের নারীদের বুঝিয়ে থাকে। বিভিন্ন সময় এদের অনাকাংখিত ক্ষুদ্ধ আচরনে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

নতুন খবর হচ্ছে, বিভিন্ন সড়ক, নবজাতক শিশু জন্ম নেয়ার পর বাসাবাড়িতে গিয়ে চাঁদা আদায়সহ নানাভাবে মানুষকে হয়রানি না করতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। ভবিষ্যতে জনস্বার্থ বিরোধী যেকোনো অভিযোগ এলে হিজড়াদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ।

আজ সোমবার (১২ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্য জানিয়েছেন।

স্থানীয় এক নাগরিক জানায়, কিছু হিজড়া সদস্য বাসা-বাড়িতে সদ্য জন্ম নেয়া নবজাতক শিশু ও ঈদসহ পারিবারিক, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি ও ফ্লাটে ফ্লাটে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে দুই তিন হাজার টাকা চাঁদা দাবি করছে। কেউ দিতে না চাইলে বা কারো দেয়ার সামর্থ্য না থাকলে সাধরণ মানুষের সঙ্গে অত্যন্ত অশোভন আচরণ করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ সদর দপ্তর পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. পারভেজ ইসলমকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়।

এআইজি সোহেল রানা জানিয়েছেন, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানা এলাকার একজন বাসিন্দা পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংকে অভিযোগ করেছেন, তার বাসা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হিজড়া সম্প্রদায়ের উৎপাত ও হয়রানি মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

সভায় কঠোরভাবে বলা হয়, জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো কার্যক্রমের অভিযোগ এলে প্রচলিত আইনে হিজড়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সভায় হিজড়া সম্প্রদায়ের নেতারা এ ধরনের কোনো অভিযোগ ভবিষ্যতে আসবে না বলে নিশ্চিয়তা প্রদান করেন।

পুলিশের এমন ভূমিকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তথ্যদাতা নাগরিক জানান, আলহামদুলিল্লাহ। আমরা অনেক খুশি এবং নিরাপদবোধ করছি। বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।