দেশে সম্ভব নয়, বিদেশে পাঠানো হচ্ছে তরুণ পেসার হাসানকে

ইঞ্জুরির কারণে প্রায় ৬ মাস ধরে মাঠের বাইরে থাকা পেসার হাসান মাহমুদকে দেশের বাইরে পাঠানো হবে। অন্যদিকে আরেক পেসার আল আমিন চোটমুক্ত হয়ে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে আছেন। মাঠে ফিরবেন জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দিয়ে।

এই দুই পেসারের ইনজুরি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসব বললেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন।

হাসানের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে জাতীয় দলের ফিজিও জুলিয়ান কালেফাতোর অধীনে। কিন্তু পিঠের চোটে ভোগা এই গতি তারকার কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তাই তার বোলিংয়ের বায়োমেকানিক্যাল বোলিং অ্যাসেসমেন্টের জন্য পাঠানো হবে দেশের বাইরে।

দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা মনে করছি ওর একটা সঠিক বায়োমেকানিক্যাল বোলিং অ্যাসেসমেন্ট দরকার। যেটা দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের এখানে সম্ভব না। এখন চেষ্টা করছি বিদেশে, যেখানে এই সুযোগ-সুবিধাগুলো আছে, সেখানে পাঠিয়ে ওর ফুল অ্যাসেসমেন্টের জন্য।’

ইতোমধ্যে হাসানকে দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরুও হয়েছে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে জটিলতা থাকায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে তাকে পাঠানো হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক, ‘করোনার কারণে বিভিন্ন দেশে এখন কড়াকড়ি রয়ে গেছে। আমরা দুই-তিন জায়গায় কথা বলছি। সব যদি আমরা ঠিকমতো পারি আশা করছি আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে আমরা ওকে দেশের বাইরে কোথাও পাঠাতে পারব অ্যাসেসমেন্টের জন্য।’