মোস্তাফিজ আমাদের দলের স্পেশাল বোলার: সঞ্জু স্যামসাং

গতকাল ম্যাচের তখন আর মাত্র ২ ওভার বাকি। দুই ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাব কিসের প্রয়োজন আর মাত্র ৮ রান। তখনো হাতে রয়েছে তাদের ৮ টি উইকেট। উইকেটে তখনও হাফ সেঞ্চুরি জুটি গড়ে অপরাজিত রয়েছেন নিকোলাস পুরান এবং এইডেন মার্করাম। তখন ১৯তম বোলিং করতে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান।

অনেকেই তখন মনে করছিল মুস্তাফিজের ওই ওভারে হয়তো ম্যাচে জিতে যাবে পাঞ্জাব কিংস। কারণ উইকেটে তখন ৩০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন নিকোলাস পুরান এবং ২৪ রান করে অপরাজিত রয়েছেন এইডেন মার্করাম। কিন্তু শেষের দুই ওভারে ম্যাচের দৃশ্য পাল্টে দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং কার্তিক ত্যাগী।

১৯তম বোলিং করতে এসে প্রথম দুটি বল ডট দেন মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর ৪ বলে দেন চারটি রান। এর মধ্যে একবার ক্যাচের সুযোগ তৈরি করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য তখন পাঞ্জাবের প্রয়োজন ৪ রান। ‌হাতে তখনও ৮টি উইকেট। তখনো হয়তো কেউ চিন্তা করেনি এই ম্যাচে জয়লাভ করবে রজস্থান।

বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বলে এক রান দেন কার্তিক ত্যাগী। এর পরের তিন বলে তুলে নেন ২ উইকেট। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল তিন রানের। শেষ বলটি ডট দিলে ২ রানে জয়লাভ করে রাজস্থান রয়েলস। ম্যাচ শেষে তাই এই দুই বোলারের দারুণ প্রশংসা করেছেন দলের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসাং।

গতকাল ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রাজস্থান রয়েলসের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসাং বলেন, “আমাদের তখনও লড়াইটা বাকি ছিল, আমি জানতাম, আমাদের দলে স্পেশাল কিছু বলার রয়েছে। মুস্তাফিজের ওভারগুলো আমরা শেষের জন্য রেখেছিলাম।”

তিনি আরও বলেন, “আমি সবসময় আমার বোলারদের ওপর আস্থা রাখি, লড়াই করে যেতে চাই এবং এ কারণেই শেষদিকে তাদের দুই ওভার বাকি রেখেছিলাম। এই স্কোর নিয়ে এই উইকেটে আমরা ভালো বোধ করছিলাম কারণ আমাদের সেই মানের বোলিং ইউনিট আছে। ক্যাচগুলো ধরতে পারলে আরও আগেই জিততে পারতাম।”

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তারা দারুণভাবে কার্যকর করতে পেরেছে। আমরা লড়ে যাবো এবং বিশ্বাস রেখে যাবো। আমার বোলারদের প্রতি সবসময়ই আমার বিশ্বাস ছিল। আমরা লড়ে যাচ্ছিলাম এবং এ কারণেই তাদের দুজনের জন্য শেষের দিকে ওভার রেখে দিয়েছিলাম।”