আইপিএলের এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হবে কোন দল?

নতুন খবর হচ্ছে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চতুর্দশ আসরের ফাইনালে উঠেছে সাকিব আল হাসানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আসরের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সাকিবরা ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছেন দিল্লী ক্যাপিটালসকে।

শারজায় হাই ভোল্টেজ ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে সাকুল্যে ১৩৫ রান জড়ো করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করা দিল্লী। গত আসরের ফাইনালিস্টরা ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও পায়নি কাঙ্ক্ষিত পুঁজি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন শিখর ধাওয়ান, ৩৯ বলের মোকাবেলায়। এছাড়া শ্রেয়াস আইয়ার ২৭ বলে অপরাজিত ৩০ ও পৃথ্বী শো ১২ বলে ১৮ রান করেন।

কলকাতার পক্ষে বরুণ চক্রবর্তী শিকার করেন দুটি উইকেট। সাকিব আল হাসান ও সুনীল নারাইন যথাক্রমে ২৮ ও ২৭ রান খরচ করেন ৪ ওভারের কোটা পূর্ণ করে, কেউই এদিন পাননি উইকেটের দেখা। তবে দুর্দান্ত ক্যাচে সাকিব সাজঘরে ফেরান ধাওয়ানকে।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে কলকাতাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শুবমান গিল ও ভেঙ্কাটেশ আইয়ার। উদ্বোধনী জুটিতেই দল পায় ৯৬ রানের দেখা। ৪১ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন ভেঙ্কাটেশ। তবে ধীর-স্থির ব্যাটিংয়ে অপর প্রান্ত আগলে রাখেন গিল।

তবে গিলকে সাজঘরে ফিরতে হয় জয় থেকে অল্প দূরে থেকে, অর্ধশতক হাতছাড়ার আক্ষেপ নিয়ে। তার আগে ৪৬ বলে ৪৫ রান করেন একটি করে চার-ছক্কার সহায়তায়। নিতিশ রানা ১৩ রান করে ফিরলে কলকাতা চাপে পড়ে যায়। দীনেশ কার্তিক ও ইয়ন মরগান দুইজনই ৩ বলের মোকাবেলায় কোনো রান না করে সাজঘরে ফেরেন।

শেষ ওভারে ব্যাট হাতে মাঠে নামেন সাকিব। রাহুল ত্রিপাঠি প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক দেন সাকিবকে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের করা এই ওভারে কলকাতার প্রয়োজন ছিল ৭ রান। অশ্বিনের শিকার হয়ে ২ বল মোকাবেলা করা সাকিবকেও সাজঘরে ফিরতে হয় কোনো রান না করেই। এরপর সুনীল নারাইন ক্রিজে নেমে তিনিও সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে।

২ বলে কলকাতার প্রয়োজন ৬ রান- এমন কঠিন সমীকরণকে সামনে রেখে তবে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ওভারের পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকান রাহুল ত্রিপাঠি। এতে ৩ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পায় কলকাতা। ত্রিপাঠি ১১ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।