আইপিএল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ফাইনালে উঠে হারেনি সাকিবের কলকাতা

৭ বছর পর আবারও আইপিএলের ফাইনালের ফাইনালে উঠল সাকিবের কলকাতা নাইট রাইডার্স। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে গতকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হয়ে সাকিব আল হাসানের কলকাতা নাইট রাইডার্স। গতকাল দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আইপিএল ফাইনালে উঠলো নাইটরা।

গতকাল দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এখন পর্যন্ত আইপিএলের ইতিহাসে দুই বার ফাইনালে উঠেছে কলকাতা। এখন পর্যন্ত ফাইনালে উঠে হারেনি কলকাতা। গৌতম গাম্ভীরের হাত ধরে ২০১২ এবং ২০১৪ আইপিএলের শিরোপা গড়ে তুলেছিল কলকাতা। ওই দুই আসরে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান।

দ্বিতীয় কোয়ালিফাই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে সাকিব-আয়ারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান তুলতে সক্ষম হয় দিল্লি। জবাবে ৩ উইকেট ও ১ বল হাতে রেখে ফাইনাল নিশ্চিত করে মরগ্যানের দল। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কলকাতাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন নাইটদের দুই ওপেনার ভেঙ্কাটেশ আয়ার ও শুভমন গিল। পাওয়ারপ্লেতে দুজনে তোলেন ৫১ রান। এরপর দলকে এগিয়ে নেয়ার সাথে ৩৮ বলে ফিফটি তুলে নেন আয়ার। ৯৬ রানের জুটির পর ৪১ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৫ রান করে ফেরেন আয়ার।

ফিরলেও ওপেনিং জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যান আয়ার। পরবর্তীতে গিল ৪৬ বলে ৪৬ রান করে ফিরলে শেষ দিকে দ্রুতই ফেরেন নিতিশ রানা-কার্তিকরা। শেষ ১২ বলে যখন ১০ রান প্রয়োজন তখন নেমে ৩ বলে ০ রানে আউট হন অধিনায়ক মরগানও। শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ৭ রানে।

প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে সাকিবকে স্ট্রাইক দেন ত্রিপাঠি। দুই বল মোকাবিলায় এলবিডব্লু আউট হন সাকিব ০ রান করেই। এরপর নারাইন ফেরে প্রথম বলেই। ক্যাচ আউট হওয়ায় স্ট্রাইক পেয়ে যান ত্রিপাঠি। শেষ দুই বলে প্রয়োজন ছিল ৬ রানের। পঞ্চম বলটিকেই ছক্কা বানিয়ে ১ বল আগেই কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন রাহুল ত্রিপাঠি। ১১ বলে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে দিল্লি। মূলত দ্রুত রান তুলতে গেলেই পড়ে গেছে উইকেট। ফার্গুসন, সাকিব, মাভি, আয়ারদের দারুণ বোলিংয়ে দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ হন প্যান্ট আয়াররা। এতেই ১৩৫ রানেই থামে তাদের ইনিংস। সর্বোচ্চ ৩৯ বলে ৩৬ করে ধাওয়ান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ বলে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন শ্রেয়স আয়ার। নাইটদের হয়ে সাকিব ৪ ওভার বিনা উইকেটে ২৮ রান দেন। ক্যাচ মিস না হলে উইকেট পেতে পারতেন সাকিব। আয়ার সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন।