চট্টগ্রামে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা

আজ সকালে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের শরীরে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার মোস্তফা সওদাগর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে নিহতরা হলেন ৬০ বছরের মোস্তফা সৌদাগর, তার স্ত্রী ৫০ বছরের জোসনারা বেগম এবং ২৪ বছর বয়সী ছেলে হোসেন আহম্মেদ।

এদিকে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর হোসেন মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তিনজনকেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ওসি বলেন, ‘আমরা ভোর ৫টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহগুলো ঘটনাস্থলেই রয়েছে (সকাল ৯টা পর্যন্ত)। আমরা ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোস্তফা সৌদাগরের আরেক ছেলে সাদ্দামকে হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।

ওসি আরও বলেন, ‘নিহত সবার গলায়, পেটে ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’ সাদ্দাম নিহত দম্পতির বড় ছেলে। মরদেহ উদ্ধারের সময় বাড়িতেই ছিলেন তিনি ও তার স্ত্রী আইনুন নাহার।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সাদ্দাম ও তার স্ত্রী আইনুন আমাদের জানিয়েছেন যে ভোরে তিনজন লোক বাড়িতে ঢোকে। এর মধ্যে দুজন লোক তাদের দুজনকে জিম্মি করে ঘুমিয়ে থাকা বাবা-মা-ভাইকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ‘তবে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তারা ভোর ৫টার দিকে চিৎকার শুনে মোস্তফা সৌদাগরের ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু বাড়ির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।’

এ সময় ওসি নূর বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনা করে আমরা আপাতত সাদ্দাম ও তার স্ত্রীকে সন্দেহভাজন হিসেবে রেখেছি। সাদ্দামকে থানায় নেয়া হয়েছে। তবে আইনুন নাহার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তাকে বাড়িতেই পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।’