বাংলাদেশকে হারাতে চায় পাপুয়া নিউ গিনি

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জিতে আনন্দে ভাসায় দেশের মানুষকে, আবার হেরেও যায়। হার-জিত তো খেলারই অংশ। পৃথিবীতে কী এমন একটি দল বা দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে, যারা কেবলই জেতে! জয়ের সঙ্গে পরাজয় ব্যাপারটি না থাকলে তো খেলারই জন্ম হতো না!

নতুন খবর হচ্ছে, বাংলাদেশকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে প্রথম ‘অঘটন’ ঘটায় স্কটল্যান্ড। যা বাড়তি অনুপ্রেরণা দিচ্ছে নিচের সারির দলগুলোকে। স্কটিশদের এমন জয় থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাতে চায় পাপুয়া নিউ গিনি।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫৩ রানে স্কটল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। তবে শেষ দিকে ক্রিস্টোফার গ্রিভস দারুণ ব্যাটিং করে স্কটিশদের ১৪০ রানের পুঁজি এনে দেন। যা তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

স্কটিশদের এমন জয়ের পর ওমানও বাংলাদেশকে হারানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল। ম্যাচের প্রায় ১৫ ওভার পর্যন্ত খেলায় থাকলেও শেষ দিকে ব্যাটিং ধসের কারণে টাইগারদের কাছে হারতে হয় ওমানকে। বাংলাদেশের বিপক্ষে নিচের সারির দলগুলো এমন পারফরম্যান্স করায় বাড়তি অনুপ্রেরণা পাচ্ছে পাপুয়া নিউ গিনি।

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামবে আসাদ ভালার দল। মূল পর্বে যেতে অনেক সমীকরণ পেরোতে হলেও তাদের লক্ষ্য স্কটিশদের মতো করে বাংলাদেশকে হারানো। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ হারলেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদেরে দলকে উপরের সারিতেই রাখছেন চার্লস আমিনি। দলটির অলরাউন্ডার মনে করেন, তারা নিজেরা প্রথম দুই ম্যাচে হারলেও মুল পর্বে খেলার সুযোগ দেখছেন।

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে আমিনি বলেন, ‘সম্ভবত আমাদের জন্য এটি সবচেয়ে বড় সুযোগ। বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি দলগুলোর একটির বিপক্ষে আমাদের প্রথম লড়াই। যদিও প্রথম ম্যাচে তারা হেরেছে, তারপরও ওরা ভালো দল। বিশ্বকাপে খেলতে পেরে আমরা গর্বিত। প্রথম দুই ম্যাচ যদিও হেরেছি, তারপরও এখনও আমাদের সুযোগ আছে। স্কটল্যান্ড প্রথম ম্যাচে অঘটন ঘটিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস আছে, আমরা একইরকম কিছু করতে পারি।