বিরল প্রজাতির ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

ইকবালের বিষয়ে ফখরুলের কাছে তথ্য আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার ইকবাল হোসেনের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে অনুমান হয় যে, তার কাছে অধিকতর তথ্য রয়েছে।

গ্রেফতার ইকবালের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে অনুমান হয় তার কাছে অধিকতর তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনিই তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলুন, এ কয়দিন ইকবাল কোথায় ছিল?
তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজে চিহ্নিত হওয়া কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র ‘কোরআন শরিফ রাখা’ ইকবাল হোসেনের গ্রেফতারে যখন সবাই স্বস্তি প্রকাশ করছে তখন বিএনপি মহাসচিব প্রশ্ন তুলেছেন গ্রেফতার হওয়া যুবক এতোদিন কোথায় ছিল? আসলে যেকোনো অর্জন বা সাফল্যকে বিতর্কিত করা বিএনপির স্বভাব। প্রতিটি বিষয়ে সন্দেহ করা- বিরল প্রজাতির ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অবস্থাদৃষ্টে জনমনে প্রশ্ন ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে যে, বিএনপির এই অতিপ্রতিক্রিয়া বা আগবাড়িয়ে কথা বলা তাদের নিজেদের অপরাধ লুকোনোর কৌশল কিনা ৷ বিএনপির দ্বিচারিতা সম্পর্কে দেশের মানুষ ভালো করেই জানেন। তারা চোরকে বলে চুরি কর, আর গৃহস্থকে বলে সজাগ থাক। বিএনপি হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সবসময় প্রতিপক্ষ ভেবে আসছে। এখন সরকারের ওপর দায় চাপাচ্ছেন আর হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য মায়াকান্না করছেন।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন করে আরও বলেন, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আপনাদের ভোট না দেওয়ার কথিত অপরাধে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছিলেন কেন? কেন ঘরবাড়ি পুড়িয়েছিলেন, সম্পদ লুট করেছিলেন? নারীরা কেন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো?

সরকারের মদদ ছাড়া সাম্প্রদায়িক সমস্যা তৈরি হয় না, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাহলে ২০০১ সালের সমস্যার দায় কী বিএনপি স্বীকার করে নিচ্ছেন? আশা করি বিএনপি নেতারা এসব বিষয় স্পষ্ট করবেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সাধারণ সম্পাদক বলেন, গাজীপুরের মেয়র ও গাজীপুর সিটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ অন্যান্য আরও কিছু সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী উপস্থাপনীয় অভিযোগ আগামী ১৯ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৪টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় উত্থাপিত হবে।